1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন

যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি, শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

দিদারুল, স্টাফ রিপোর্টার, যশোর
  • Update Time : শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬

শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের জনজীবন। কনকনে শীতে জুবুথুবু হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষসহ প্রাণিকুল। সূর্যের দেখা মিললেও ঠান্ডা বাতাসে হাড় কাঁপছে। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সেদিনও ছিল দেশের সর্বনিম্ন। সব মিলিয়ে চলতি শীত মৌসুমে চার দিন যশোরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হলো।

এর আগে গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তাকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। সেই হিসেবে যশোরে বর্তমানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বর্তমানে দেশের ১৭টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ চলছে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহে যশোরের স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শুক্রবার ভোরেও ছিল ঘন কুয়াশা। সকালবেলায় কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের দেখা মিললেও তাতে উষ্ণতা ছিল না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা সরে গেলেও শীতের দাপট কমেনি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় এবং ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

শীতে মানুষজন মোটা জ্যাকেট, সোয়েটার ও মাফলারে ঢেকে জুবুথুবু হয়ে চলাফেরা করছে। অনেকেই হাড় কাঁপানো ঠান্ডার কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। খুব সকালে মাঠে কাজে নামা চাষিদের উপস্থিতিও কমে গেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষরা। শহরের লালদীঘির পাড়ে প্রতিদিন শ্রমিকদের যে ভিড় দেখা যেত, তা এখন অনেকটাই কমে এসেছে।

বিকেল গড়ালেও শীতের দাপট কমছে না। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হচ্ছে অসহ্য ঠান্ডা। রাস্তায় রিকশা ও অটোরিকশার সংখ্যা কম থাকায় অফিসফেরত অনেক মানুষকে ধীর পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে দেখা যাচ্ছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ছে, যা জনজীবনে বাড়তি ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।

Share This Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!