1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

পঞ্চাশ বছর আগে এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের যৌথ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার ঘোর কাটিয়ে বাংলাদেশে সূচিত হয়েছিল এক নতুন যাত্রা।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নেমে আসে হাজারো মানুষ। উদযাপিত হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যার পর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

সেদিন জাতি আবারও শুনেছিল তার কণ্ঠ—“আমি জিয়া বলছি।”
যে কণ্ঠে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে স্বাধীনতার আহ্বান উচ্চারিত হয়েছিল, সেই কণ্ঠে আবারও মানুষ শুনেছিল আশ্বাস ও স্বস্তির বার্তা। মুহূর্তেই জেগে উঠেছিল মুক্তির প্রেরণা, স্বস্তির নিঃশ্বাসে মুখরিত হয়েছিল দেশ।

রাজধানীসহ সারাদেশের রাস্তায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে সৈনিক ও জনতার মিছিল। হাতে হাত রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উচ্চারিত হয় স্লোগান—
“সিপাহী-জনতা ভাই ভাই, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ।”

ইতিহাসের এই দিনটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নামে পরিচিতি পায়। এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার অবস্থা থেকে উত্তরণের নতুন পথে অগ্রসর হয়।
তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশকে ভূরাজনৈতিক, সম্প্রসারণবাদী ও নব্য-ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্রের জাল থেকে মুক্ত করেন।

জাতীয় সংকটের সেই ভয়াল মুহূর্তে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের পরাস্ত করে জেনারেল জিয়াকে নেতৃত্বে আনেন।
৭ নভেম্বরের পর থেকেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও স্বাতন্ত্র্যবোধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের বিকাশ শুরু হয়।
নতুন ভোরের সেই ইতিহাসের নায়ক হয়ে ওঠেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
যদিও পরবর্তীতে তার স্মৃতি মুছে ফেলার নানা চেষ্টা হয়েছে, তবুও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তিনি চিরস্থায়ী আসন লাভ করেছেন।


বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কর্মসূচি

ঐতিহাসিক এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিনটি উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের সব দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
সকাল ১০টায় দলের কেন্দ্রীয় নেতারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে বেলা ৩টায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালি বের হবে।
একইসঙ্গে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপির উদ্যোগে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কর্মসূচি নিম্নরূপ—

  • ৫ নভেম্বর: শ্রমিক দলের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • ৭–৮ নভেম্বর: ছাত্রদলের উদ্যোগে টিএসসি-তে আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং ৮ নভেম্বর আলোচনা সভা।

  • ৯ নভেম্বর: ওলামা দলের উদ্যোগে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।

  • ১০ নভেম্বর: তাঁতী দলের আলোচনা সভা।

  • ১১ নভেম্বর: কৃষক দলের আলোচনা সভা।

  • ১৩ নভেম্বর: জাসাসের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ঐতিহাসিক দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় উদ্যোগে ১২ নভেম্বর ২০২৫, বুধবার, চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া ৬ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ডকুমেন্টারি প্রকাশ, ফেসবুক, ইউটিউব ও অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে প্রচার এবং পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশের কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে।

Share This Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!