
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে দরিদ্র ও জেলেদের প্রধান খাদ্য ‘চাল’ অখাদ্যে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসের ভিজিডি ও জেলেদের পুনর্বাসনের চাল (ভিজিএফ) প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বস্তা, প্রায় দেড় মেট্রিক টনের চাল পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে উপকার ভোগীরা এই চাল গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. শকিলের দাবি, পচা চালের মধ্যে এখনও কিছুটা ভালো চাল রয়েছে। তিনি জানান, জেলে ও ভিজিডির প্রকৃত কার্ডধারীদের অনুপস্থিতির কারণে চালগুলো পরিষদে জমা হয়েছে। চালে গুণগত মান কিছুটা নষ্ট হলেও কেউ না নিলে তা প্রসেসিং করে খাদ্যগুদামে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, খাদ্যগুদাম থেকে ভালো চাল রিসিভ করার পরও পচা চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে সুফল ভোগীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে, চাল যখন পোকাসহ খাবার অনুপযোগী হয়, তখনও ভোগীদের নামে ফোন করে বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা মনে করছেন, এ দায় প্রশাসকসহ তার আশপাশের লোকেদের। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. শকিলের যুক্তি, “চালের গুণগত মান কিছুটা নষ্ট হলেও আমরা তা প্রসেসিং করে পুনরায় খাদ্যগুদামে পাঠাবো।”
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Leave a Reply