1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

তিস্তার স্রোতে সড়ক ধসে দহগ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগে ৪ হাজার মানুষ

মো: কাইয়ুম হোসেন নিরব, লালমনিরহাট রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ভারতবেষ্টিত দহগ্রাম ইউনিয়নে তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের প্রায় ১০ থেকে ১২ মিটার অংশ ধসে গেছে। এতে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা এলাকার সঙ্গে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন ছয় গ্রামের চার হাজারের বেশি মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় আকস্মিক পানির ঢল ও তীব্র স্রোতে আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সড়কের একটি অংশ ধসে যায়। পরে ভেঙে যাওয়া অংশ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে আশপাশের এলাকায় ঢুকতে শুরু করে।

সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বর্তমানে সরু বিকল্প পথ ব্যবহার করে হেঁটে চলাচল করছেন। এতে দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি দহগ্রাম ইউনিয়নের আঙ্গরপোতা, ভাটিয়াটারী, আশ্রয়ণপাড়া, জিরো লাইন, সীমান্তপাড়া ও ইসলামপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই সড়ক দিয়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা সদর, জেলা শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং স্থানীয় হাট-বাজারে যাতায়াত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিস্তা নদীতে হঠাৎ পানির চাপ বাড়তে শুরু করে। প্রবল স্রোত সড়কের ওপর আঘাত হানার কিছুক্ষণের মধ্যেই এর একটি অংশ ভেঙে নদীগর্ভে চলে যায়। পরে ওই স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ করতে থাকায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ঘটনার খবর পেয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তবে সড়কের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবাহিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ভাঙা অংশে অস্থায়ীভাবে বাঁশের সাঁকো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে এখনো পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে এই মুহূর্তে মেরামতকাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি কমে গেলে দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুম এলেই তিস্তার প্রবল স্রোত ও নদীভাঙনের কারণে দহগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। স্থায়ী নদীশাসন ও সড়ক রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছরই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।

তাদের দাবি, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। তিস্তার স্রোত ও নদীভাঙন থেকে সড়কটি রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page