1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

এম আর রোমেল, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারও আপনজন সেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের নিজেদের বা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশে থাকতে পারছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল বাংলাদেশকে আরও ভালো করা। যারা শহিদ হয়েছেন, শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগের পেছনে একটি উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন ছিল।

রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেই বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’ এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—শহিদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহিদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহিদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহিদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহিদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহিদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহিদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহিদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী।

এ ছাড়া গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারও নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহিদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্নাও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

অনুষ্ঠানে শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা চাকরির নিয়োগপত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page