
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। সভাপতির কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে মোট ৪০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি।
বাংলাদেশি কূটনীতিক আব্দুল আলিম ওই কার্যালয়ের ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী, মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা, জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলোবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমান সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে আইনি বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। তার দাদা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
জাইমা রহমান লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। পরে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষাতেও তিনি উত্তীর্ণ হন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। তার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
এদিকে ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আব্দুল আলিম দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক পেশায় যুক্ত। এর আগে তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘের নিয়মিত কর্মী নন এবং সংস্থা থেকে সরাসরি কোনো নিয়মিত বেতনও পান না। সভাপতির বেতন-ভাতা, আবাসন বা বাড়িভাড়াসহ বিভিন্ন খরচ সাধারণত সংশ্লিষ্ট দেশ বা সরকার বহন করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেট ও ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও নির্দিষ্ট ব্যয় নির্বাহ করা হয়ে থাকে।