1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (ইএসএফ) সহায়তা চেয়েছে পাকিস্তান। বুধবার (২২ জুলাই) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের কাছে পাঠানো এক আবেদনে ইসলামাবাদ পাঁচ বছর মেয়াদি ১০ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক মুদ্রা স্থিতিশীলতা সহায়তা চেয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়বে, রুপির ওপর চাপ কমবে এবং বহুপাক্ষিক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমবে।

এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (ইএসএফ) হলো যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের পরিচালিত একটি বিশেষ জরুরি তহবিল, যা বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজন হলে বিদেশি সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আর্থিক সহায়তা দিতে ব্যবহৃত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধসংক্রান্ত আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের পর পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। ইসলামাবাদের আশা, এর মাধ্যমে ওয়াশিংটনসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছ থেকে আরও অর্থনৈতিক সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

বর্তমানে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৭ বিলিয়ন ডলারের কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। কর বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মতো কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়নের পরও দেশটি রিজার্ভ সংকটে রয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ইএসএফ সহায়তা পেলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

তবে পাকিস্তানের এই অনুরোধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। একইভাবে রয়টার্সের অনুরোধে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

তবে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব ওয়াশিংটনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানের অর্থনীতির ঝুঁকির বিষয় তুলে ধরেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত প্রকল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

২০২৩ সালে আইএমএফের ৩ বিলিয়ন ডলারের সহায়তায় ঋণখেলাপির ঝুঁকি এড়ায় পাকিস্তান। পরে দেশটি ৭ বিলিয়ন ডলারের সম্প্রসারিত ঋণ সুবিধা এবং জলবায়ু সহনশীলতা কর্মসূচির আওতায় আরও ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পায়। তবুও দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনো চীন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আর্থিক সহায়তার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ইএসএফ সুবিধা পেলে তা শুধু পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য নয়, আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারেও দেশটির প্রতি আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page