
চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবে। সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা ৩১ আগস্ট ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এজন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা ও ই-ফরম পূরণ অংশে নির্ধারিত পরিচিতি নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে।
এরপর সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা থেকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। প্রথমে সম্ভাব্য তালিকা প্রিন্ট করে হার্ডকপিতে লাল কালি দিয়ে যোগ্য শিক্ষার্থীদের পাশে টিক চিহ্ন দিতে হবে।
অন্য প্রতিষ্ঠান বা অন্য বোর্ড থেকে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্য যুক্ত করার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ষষ্ঠ শ্রেণির ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বোর্ড, রোল ও নিবন্ধন নম্বর দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর তথ্য নিজ প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শিত হবে।
হার্ডকপিতে টিক চিহ্ন দেওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্যের সঙ্গে কম্পিউটারে প্রদর্শিত সম্ভাব্য তালিকা মিলিয়ে পরীক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। এরপর অস্থায়ী তালিকা প্রিন্ট করে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। প্রয়োজন হলে এ পর্যায়ে পরীক্ষার্থী নির্বাচন বা নির্বাচন বাতিল করা যাবে।
চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষে টাকা জমার চালান মুদ্রণ করতে হবে। এরপর চালানে উল্লিখিত পরিমাণ টাকা সোনালী ব্যাংকের সোনালি সেবা চালু থাকা শাখায় জমা দিতে হবে। তবে চালান মুদ্রণের পর নতুন করে কোনো পরীক্ষার্থী নির্বাচন বা নির্বাচন বাতিল করা যাবে না।
ব্যাংকে ফি জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষার্থী তালিকা প্রিন্ট ও চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ চালু হবে। এরপর চূড়ান্ত পরীক্ষার্থী তালিকা মুদ্রণ করে পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। প্রতিটি পৃষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানের স্বাক্ষর থাকতে হবে।
সবশেষে অনলাইনে চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে না এবং পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রও দেওয়া হবে না।
পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষরসংবলিত মুদ্রিত তালিকার একটি কপি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফি প্রতি পরীক্ষার্থীর জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে কেন্দ্র ফি বাবদ আরও ২০০ টাকা দিতে হবে। কেন্দ্র নির্ধারণের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রসচিবের কাছে এই টাকা জমা দিতে হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনলাইনে ফরম পূরণের শেষ তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর। আর পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফরম পূরণ, ফি জমা এবং চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।