1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

কলাবাগানে সেপটিক ট্যাংকের গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩

রাহুল, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীর কলাবাগান থানার কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকার একটি সাততলা ভবনের নিচতলায় সেপটিক ট্যাংকের জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে তিন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন—মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ভর্তি করেন।

ঢাকা মেডিকেল বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ জানান, জুয়েলের শরীরের ৩০ শতাংশ, রানার ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজের ২১ শতাংশ অংশ দগ্ধ হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় রানা ও জুয়েলকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)–তে স্থানান্তর করা হয়েছে। পারভেজকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকেও আইসিইউতে নেওয়া হবে।

দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. রাজিব জানান, তিনজনই পান্থপথের একটি ফার্নিচারের দোকানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঘটনার সময় তারা কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ওই ভবনের নিচতলায় ফার্নিচারে বার্নিশের কাজ করছিলেন। এ সময় সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ ঘটলে তারা দগ্ধ হন।

তিনি আরও জানান, দগ্ধ তিনজনের বাড়িই কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায়। জুয়েলের বাবার নাম সবুজ মিয়া। রানার বাবা সোনা মিয়া এবং পারভেজের বাবা মানিক মিয়া।

ঘটনার কারণ ও বিস্ফোরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page