জুলাই যোদ্ধাদের ভাতা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত:
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান এবং মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদানে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন আহমেদ আযম খান।
বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধী দলের সদস্য রোকেয়া বেগম-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গেজেটভুক্ত ১৪ হাজার ৩৬৯ জন জুলাই যোদ্ধার মধ্যে ১৩ হাজার ৩৪৪ জনকে নিয়মিত মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। শ্রেণিভেদে ক-শ্রেণির যোদ্ধারা মাসে ২০ হাজার টাকা, খ-শ্রেণির যোদ্ধারা ১৫ হাজার টাকা এবং গ-শ্রেণির যোদ্ধারা ১০ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। অবশিষ্টদের ভাতা প্রদানের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, জুলাই যোদ্ধাদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহতদের মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫২ জনকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক ও রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০২ জন চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন এবং বর্তমানে ৫০ জন বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এছাড়া জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কল্যাণে আগ্রহী ৩ হাজার ২৪১ জনের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য ১ হাজার ৯৩৭ জনের তালিকা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চলের কৃষকদের পুনর্বাসনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২০ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৯৫০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২ লাখ ৭১ হাজার ৭০০ কৃষক এ সহায়তার আওতায় আসবেন।
এদিকে, আফরোজা খানম জানিয়েছেন, ২০৪০ সালের মধ্যে পর্যটন খাতে ২ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পর্যটন খাতের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বিপণন এবং বিদেশে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।