1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা গাজীপুরে আবারও ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৪ ইউনিট জ্বালানি নিরাপত্তায় জাইকার কাছে বাজেট সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যে নিন্দা-উদ্বেগ, বক্তব্য প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি ইনানীতে ছয় কোটি টাকার চারতলা রিসোর্ট গুঁড়িয়ে দিল কর্তৃপক্ষ জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকের নতুন এমডি হচ্ছেন তিনজন পাঠ্যবই নিয়ে সমালোচনার মধ্যে এনসিটিবির ৯ কর্মকর্তা বদলি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ, গেজেট শিগগির বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপানি কোম্পানি: তারো আসো কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, নিহত ১

আশুরার রোজা: ফজিলত, গুরুত্ব ও পালনের সঠিক পদ্ধতি

ইসলামিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। ইসলাম ধর্মে এ মাস অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও পবিত্র। পবিত্র কোরআনে মহররমকে সম্মানিত চার মাসের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি… এর মধ্যে চারটি সম্মানিত মাস।” (সুরা তাওবা: ৩৬)

মহররম মাস মুসলমানদের জন্য ইবাদত, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ মাসের দশম দিন ‘আশুরা’ নামে পরিচিত, যা ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আশুরার ঐতিহাসিক গুরুত্ব

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আশুরার দিনে মহান আল্লাহ হজরত মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দেন এবং ফেরাউন ও তার বাহিনীকে সাগরে ডুবিয়ে ধ্বংস করেন। এ মহান নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের জন্য হজরত মুসা (আ.) আশুরার দিনে রোজা পালন করতেন।

মদিনায় হিজরতের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) ইহুদিদের আশুরার রোজা রাখতে দেখে বলেন, “মুসার ব্যাপারে আমরাই তোমাদের চেয়ে বেশি হকদার।” এরপর তিনি নিজেও আশুরার রোজা রাখেন এবং সাহাবিদের তা পালনের নির্দেশ দেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০০৪)

আশুরার রোজার ফজিলত

আশুরার রোজার অন্যতম বড় ফজিলত হলো, এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছরের সগিরা (ছোট) গুনাহ মাফ হওয়ার আশা করা যায়।

হজরত আবু কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)

কেন একদিনের পরিবর্তে দুই দিন রোজা?

ইসলাম শুধু ইবাদতের নির্দেশই দেয় না, বরং মুসলমানদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার শিক্ষাও দেয়। জীবনের শেষ দিকে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য পরিহারের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি যদি আগামী বছর জীবিত থাকি, তবে অবশ্যই নবম তারিখেও রোজা রাখব।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৩৪)

এ কারণেই আশুরার রোজার সঙ্গে মহররমের ৯ বা ১১ তারিখ যুক্ত করে রোজা রাখা উত্তম বলে ফকিহরা মত দিয়েছেন।

আশুরার রোজা যেভাবে রাখবেন

ফকিহদের মতে আশুরার রোজা পালনের কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে—

সর্বোত্তম পদ্ধতি:

  • মহররমের ৯, ১০ ও ১১ তারিখ—তিন দিন রোজা রাখা।

উত্তম পদ্ধতি:

  • মহররমের ৯ ও ১০ তারিখ—দুই দিন রোজা রাখা।

বিকল্প পদ্ধতি:

  • মহররমের ১০ ও ১১ তারিখ—দুই দিন রোজা রাখা।

ন্যূনতম পদ্ধতি:

  • কেবল ১০ মহররম (আশুরার দিন) রোজা রাখা। এতে আশুরার ফজিলত ও সওয়াব লাভের আশা করা যায়।

মহররম ও আশুরা মুসলমানদের জন্য শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিবাহী দিন নয়; বরং এটি ত্যাগ, কৃতজ্ঞতা, ইবাদত এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের শিক্ষা ধারণ করে। তাই এ দিনের ফজিলত অর্জনে বেশি বেশি নফল ইবাদত ও রোজা পালনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page