1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

হরমুজ উত্তেজনা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি; পাল্টা কঠোর অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জেরে ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ার দাবি করেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির দাবি, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করারও দাবি করেছে তারা।

হামলার পর বাহরাইন ও কুয়েতে বিমান হামলার সতর্কতা (এয়ার রেইড) সাইরেন বাজানো হয়। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।

এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী কাতার ও সৌদি আরবের পতাকাবাহীসহ তিনটি বাণিজ্যিক তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর। কাতার এ ঘটনার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে।

এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, অভিযানে ইরানের ৬০টিরও বেশি সামরিক স্পিডবোট, রাডার ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে। এছাড়া খাড়গ দ্বীপ, কেশম দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাস ও সিরিক এলাকার উপকূলীয় স্থাপনাগুলোতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।

সামরিক অভিযানের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরানের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রির বিশেষ ছাড় বা লাইসেন্স বাতিল করেছে। একই সঙ্গে ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট তেল লেনদেন গুটিয়ে নেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

উল্লেখ্য, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচল ও শুল্ক ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মতবিরোধ বাড়তে থাকায় সেই আলোচনা ভেঙে পড়ে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা ও নতুন নিষেধাজ্ঞাকে দুই দেশের সমঝোতার লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান স্থায়ী সমঝোতায় না এলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে বর্ণিত বিভিন্ন সামরিক দাবি ও পাল্টা দাবির অনেকগুলোই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে। এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page