1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, দাবি প্রতিমন্ত্রীর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন, দাবি নাকচ করলেন প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার দাবি, আটক ১ ৭ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ অষ্টমী পূজা উপলক্ষে সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সাইবার সুরক্ষা আইনে মতামত ও রাজনৈতিক সমালোচনায় শাস্তি না দেওয়ার সুপারিশ সম্পাদক পরিষদের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কারণ জানতে চাইল ঢাকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি ও পদায়ন রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর

ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকের প্রভাবশালী নেতা এম করুণানিধিকে সম্মানসূচক পদবি ছাড়া সরাসরি নাম ধরে সম্বোধন করায় বিধানসভায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের মুখে ক্ষমা চেয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়।

ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় স্বাস্থ্য ও রাজস্ব বিভাগের অনুদান দাবির ওপর আলোচনা চলাকালে। তামিলনাড়ুর বনমন্ত্রী আর ভি রঞ্জিত কুমার অতীতের নির্বাচনে ‘ভোটের বিনিময়ে টাকা বিতরণ’ ব্যবস্থার সমালোচনা করছিলেন।

বক্তব্যে তিনি আলোচিত ‘তিরুমঙ্গলম ফর্মুলা’র প্রসঙ্গ তুলে দাবি করেন, তার কাঞ্চীপুরম কেন্দ্রে আগের নির্বাচনে ভোটপ্রতি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ রুপি পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছিল। এরপর বর্তমান সরকারের সঙ্গে আগের সরকারগুলোর পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার জন্য কোনো অর্থ বিতরণ করেনি।

তবে অতীতের নির্বাচনী কৌশল নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় বনমন্ত্রী প্রয়াত এম করুণানিধিকে শুধু ‘করুণানিধি’ নামে উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আপত্তি জানান বিরোধী ডিএমকের বিধায়কেরা।

তামিলনাড়ু বিধানসভার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রবীণ ও সম্মানিত নেতাদের নামের সঙ্গে ‘কলাইঞার’ বা ‘সাবেক মুখ্যমন্ত্রী’র মতো সম্মানসূচক পরিচয় ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। সেই রীতি অনুসরণ না করায় ডিএমকে সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সাবেক মন্ত্রী কে কে এস এস আর রামচন্দ্রনের নেতৃত্বে বিরোধী দলের বিধায়কেরা ঘটনাটিকে সংসদীয় সৌজন্য ও শিষ্টাচারের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেন। তাদের প্রতিবাদে অধিবেশনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বনমন্ত্রীকে বক্তব্যের মাঝপথে থামিয়ে দেন এবং প্রয়াত করুণানিধিকে এভাবে সম্বোধন করা অনুচিত হয়েছে বলে স্বীকার করেন।

এরপর ডিএমকে সদস্যদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তার (বনমন্ত্রীর) পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি।’

মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও ক্ষমা প্রার্থনার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে বিধানসভার কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page