1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

বদিসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক সাত আসামিকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ শুনানি শেষে এসব আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো চার আসামি

কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ পাওয়া চার আসামি হলেন—

  • কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি
  • ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ
  • ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম
  • র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক আনোয়ার লতিফ খান

এদিন তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মাহবুব আলম ও আনোয়ার লতিফ খান অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এরই মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে ছিলেন।

পলাতক সাত আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি

পলাতক যে সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন ড. মোহাম্মদ অলি মিয়া।

শুনানি শেষে তিনি জানান, গত ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সাত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও পুলিশ তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় খুঁজে পায়নি। এ বিষয়ে নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) দাখিল করা হয়। পরে বিধি অনুযায়ী আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

যেভাবে হত্যা করা হয় একরামুলকে

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের হোটেল নেটংয়ের সামনে থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে গভীর রাতে টেকনাফের নোয়াখালিয়া পাড়ায় র‍্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহত একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি ছিলেন।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page