1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

চিনি কমাতে মধু বা গুড়? কোনটি কতটা স্বাস্থ্যকর

লাইফ স্টাইল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

চিনি কমানোর চেষ্টা করছেন? তাই চায়ের কাপে চিনি বাদ দিয়ে মধু বা গুড় যোগ করছেন? অনেকেই মনে করেন, প্রাকৃতিক হওয়ায় মধু কিংবা গুড় চিনির তুলনায় বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, বিষয়টি এতটা সরল নয়।

চিনির পরিবর্তে মধু বা গুড় বেশি পরিমাণে খেলে কাঙ্ক্ষিত উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস থেকেই যেতে পারে।

মধু কি চিনির নিরাপদ বিকল্প?

মধু প্রাকৃতিক খাবার হলেও এতে মূলত শর্করা থাকে। তাই এটিকে ইচ্ছেমতো খাওয়ার সুযোগ নেই।

মধুতে কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তবে সেগুলোর পরিমাণ এত বেশি নয় যে, মধুকে সীমাহীনভাবে খাওয়ার উপযোগী করে তুলবে। মধু খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়তে পারে। ফলে এটিকে চিনির সম্পূর্ণ নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়।

গুড়ও কি একই রকম?

চিনির পরিবর্তে গুড় খেলেও খুব বড় স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। আখের গুড় কিংবা খেজুরের গুড়—দুটিতেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শর্করা ও ক্যালরি রয়েছে।

তাই চিনির বদলে গুড় খেলেই ওজন কমবে বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস কমাবেন যেভাবে

চা বা কফিতে নিয়মিত চিনি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হঠাৎ পুরোপুরি বাদ দেওয়া কঠিন হতে পারে। তাই ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনা যেতে পারে।

পরবর্তী সময়ে চা-কফিতে চিনি, মধু বা গুড়—কোনোটিই না দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা ভালো। একই সঙ্গে মিষ্টিজাতীয় খাবারের পরিবর্তে গোটা ফল, শাকসবজি ও স্বাস্থ্যকর গোটা শস্য খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

ফলের জুসের পরিবর্তে গোটা ফল খাওয়াও ভালো। এতে ফলের প্রাকৃতিক ফাইবার পাওয়া যায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতেও সহায়তা করতে পারে।

মূল কথা

চিনি বাদ দিয়ে মধু বা গুড় খাওয়া মানেই যে খাবারটি স্বাস্থ্যকর হয়ে যাবে, তা নয়। মধু ও গুড় দুটিই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

চিনির বিকল্প খোঁজার চেয়ে মিষ্টি স্বাদের প্রতি নির্ভরতা ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস কমানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page