1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতীত কেন্দ্রীয় সাধুসংঘ সাংস্কৃতিক জোটে “লালন সংগীত সন্ধ্যা “অনুষ্ঠিত দেশি কোচদের আরও সুযোগ দেওয়া উচিত: সুজন প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে টাঙ্গাইলে ৬৩ লাখ টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ গাজীপুরে খাল থেকে নারীর খণ্ডিত মরদেহ, গ্রেপ্তার ৩ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচনে আসছে বড় পরিবর্তন হামের উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,২৩২ ১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় রাষ্ট্রবিরোধী মামলায় আ’লীগের ৫১ নেতা ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার মামলার রায় মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোট ১২ বার চুরি

ইরান যুদ্ধ পারমাণবিক সংঘাতে গড়াতে পারে: টাকার কার্লসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের দিকে গড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন রক্ষণশীল ভাষ্যকার টাকার কার্লসন। তাঁর দাবি, যুদ্ধ শুরুর আগে তিনি এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন এবং ট্রাম্প তাঁর মূল্যায়নের সঙ্গে একমত হয়েছিলেন।

‘গোয়িং আন্ডারগ্রাউন্ড’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কার্লসন বলেন, ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর কথা হয়। এর প্রায় এক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কার্লসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব শুধু দেশটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রভাব পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি ইসরায়েল আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যেতে পারে বলে তাঁর দাবি।

কার্লসন বলেন, তিনি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) কয়েকটি দেশ সফর করে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্পকে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর দাবি, ট্রাম্প তখন তাঁর উদ্বেগের সঙ্গে একমত হন।

ইরানকে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে দুর্বল করা, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমে যাওয়া—এসব পরিস্থিতি ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থের পক্ষে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন কার্লসন।

বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কাতারের অর্থনীতি, আর্থিক খাত, বিমান চলাচল ও পর্যটনের দ্রুত বিকাশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব দেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ইসরায়েলের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

তবে কার্লসনের এসব বক্তব্যকে মার্কিন বা ইসরায়েলি নীতির প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি তাঁর বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণও উপস্থাপন করেননি। ফলে তাঁর মন্তব্যকে মূলত ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কার্লসনের সঙ্গে ট্রাম্পের মতপার্থক্য অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালে ইরানে সামরিক অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। কার্লসনের যুক্তি ছিল, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

২০২৬ সালে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন সামরিক অভিযান শুরুর পরও ট্রাম্পের সমালোচনা করেন কার্লসন। তিনি যুদ্ধকে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে তুলে ধরেন।

পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প বলেন, কার্লসন আর ‘মাগা’ বা ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ শিবিরের সঙ্গে নেই। কার্লসনও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং পরে রিপাবলিকান পার্টি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার কথা জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page