1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
ডিএমপির মিরপুর ও লালবাগ বিভাগে নতুন ডিসি পূর্বধলায় ৪০ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক ১ গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ পেলেন সম্মানজনক ‘বিপিএম-সেবা’ পদক পূর্বাচলের সড়কজুড়ে অবৈধ অটো-সিএনজি স্ট্যান্ড ঢাকাসহ ২০ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ, বৃষ্টিতে কমতে পারে তাপমাত্রা ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী অপ্রতিম হত্যা: আইফোনের পাশাপাশি সামনে এলো ৫ হাজার টাকা পাওনার বিরোধ শ্যামনগরে মরিয়মের মৃত্যুর বিচার ও গাজী নজরুলের ফাঁসির দাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ

ভারতে আসছে প্রথম ডেঙ্গু টিকা কিউডেঙ্গা, বাজারে মিলবে ২০২৭ সালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডেঙ্গু মোকাবিলায় নতুন একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা যুক্ত হতে যাচ্ছে ভারতে। দেশটির প্রথম অনুমোদিত ডেঙ্গু টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে বেসরকারি বাজারে পাওয়া যেতে পারে।

জাপানের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাকেদার তৈরি এই টিকাটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও)। গত জুলাইয়ে ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের জন্য কিউডেঙ্গার বিপণন অনুমোদন দেওয়া হয়।

এরপর ভারতের বেসরকারি বাজারে কিউডেঙ্গার প্রচার ও বিতরণের জন্য তাকেদার সঙ্গে চুক্তি করেছে ড. রেড্ডিস ল্যাবরেটরিজ। স্থানীয় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে টিকাটি বাজারে আসার কথা রয়েছে।

কিউডেঙ্গা কী?

কিউডেঙ্গা একটি জীবিত কিন্তু দুর্বল করা ভাইরাসভিত্তিক টিকা। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন—ডিইএনভি-১, ডিইএনভি-২, ডিইএনভি-৩ ও ডিইএনভি-৪—এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি।

টিকাটি দুই ডোজে দিতে হয়। প্রথম ডোজের তিন মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা। এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, টিকা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন কি না, তা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

কার্যকারিতা কতটা?

কিউডেঙ্গার বড় আকারের ক্লিনিক্যাল গবেষণায় ডেঙ্গু সংক্রমণ এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে সুরক্ষা পাওয়া গেছে। তবে টিকার কার্যকারিতা বয়স, পূর্ববর্তী সংক্রমণ, ভাইরাসের ধরন ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে।

তাই ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার ফলাফলকে সরাসরি সব মানুষের ক্ষেত্রে একই মাত্রার সুরক্ষা হিসেবে বিবেচনা না করে চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক নির্দেশনা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতে ডেঙ্গু একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে এডিস মশার বিস্তারের সঙ্গে রোগটির প্রকোপ বাড়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, ২০২৪ সালে ভারতে ২ লাখ ৩২ হাজার ৪২৫টি ডেঙ্গু আক্রান্তের ঘটনা এবং ২৩৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। একই বছরে বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ এবং মৃত্যু ১১ হাজার ২০১ জন।

ফলে কিউডেঙ্গা বাজারে এলে মশা নিয়ন্ত্রণ, প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার মতো প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে এটি আরেকটি হাতিয়ার হিসেবে যুক্ত হবে।

শুরুতে বেসরকারি বাজারে

ভারতে কিউডেঙ্গা শুরুতে বেসরকারি বাজারের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। ড. রেড্ডিস ল্যাবরেটরিজ শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকাটির প্রচার ও বিতরণ করবে। অন্যদিকে, সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে কিউডেঙ্গাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সেটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়।

তাকেদার তথ্য অনুযায়ী, কিউডেঙ্গা ইতোমধ্যে বিশ্বের ৪৩টি দেশে অনুমোদন পেয়েছে এবং ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি ডোজ বিতরণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা চালু হলেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জমে থাকা পানি অপসারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার মতো প্রচলিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণই থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page