ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম সহনীয় রাখা এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। এলপি গ্যাসের ওপর প্রদেয় ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থায় এলপি গ্যাসের স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ আগাম কর পরিশোধ করতে হয়। শিল্পখাত ও গৃহস্থালি কাজে অপরিহার্য এই পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার জনস্বার্থে ভ্যাট হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর আবেদন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এসব প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ আগাম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।
ফলে এলপিজি আমদানির পর স্থানীয় উৎপাদন ও বিক্রয় পর্যায়ে যে মূল্য সংযোজন হয়, তার ওপর আর কোনো ভ্যাট কার্যকর থাকবে না। প্রজ্ঞাপন কার্যকর হওয়ার পর এলপি গ্যাস ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তাদের ওপর পূর্বের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ মূসকভার কমবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়