1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনায় দুর্গাপূজায় চার স্তরের নিরাপত্তা, দায়িত্বে ১১ হাজারের বেশি সদস্য

আগৈলঝাড়ার ‘তাজমহল’ ধ্বংসের মুখে, হারিয়ে যাচ্ছে ৮২ বছরের ঐতিহ্য

রাসেদুল, বরিশাল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে একটি সমাধিমন্দির, যা স্থানীয়দের কাছে ‘আগৈলঝাড়ার তাজমহল’ নামে পরিচিত। আগ্রার তাজমহলের আদলে নির্মিত প্রায় ৮২ বছরের পুরোনো এই স্থাপনাটি বর্তমানে অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের মুখে।

বাংলা ১৩৪৭ সালে জমিদার কামিনী গুপ্তের মেজ ছেলে ডা. শরৎ চন্দ্র গুপ্ত পারিবারিক স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নিজ বাড়ির পুকুরপাড়ে এই সমাধিমন্দির নির্মাণ করেন। এর নাম রাখা হয় ‘কালীতারা নিত্যানন্দ স্মৃতি মন্দির’। তবে নকশা ও নির্মাণশৈলীর কারণে এটি স্থানীয়দের কাছে ‘তাজমহল’ নামেই বেশি পরিচিত।

বর্গাকার আকৃতির এই স্থাপনাটি সাতটি মূল স্তম্ভের ওপর নির্মিত। চারপাশে রয়েছে চারটি মিনার, যা এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষ নকশার কারণে যেকোনো দিক থেকে দেখলেও আগ্রার তাজমহলের আদলের ছাপ স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে।

স্থাপনাটির গায়ে নির্মাতার পরিচয় এবং পারিবারিক স্মৃতিবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য খোদাই করা রয়েছে। পশ্চিম পাশে রয়েছে জ্যোতি কালী মোহন দাশগুপ্তের সমাধি এবং উত্তর পাশে রয়েছে সত্যভামা গুপ্তাসহ আরও কয়েকজন পরিবারের সদস্যের সমাধি।

একসময় এই সমাধিমন্দির ছিল এলাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। প্রতিবছর এর পাশে বসত ঐতিহ্যবাহী মেলা, যা স্থানীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। তবে গত ছয় বছর ধরে সেই আয়োজনও বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় স্থাপনাটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় এর অলংকরণেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অবহেলার কারণে স্থাপনাটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জমিদার পরিবারের উত্তরসূরিরা বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করছেন। ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটির রক্ষণাবেক্ষণও দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, যথাযথ সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে আগৈলঝাড়ার এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান নিদর্শন হিসেবেও টিকে থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page