1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্ণ ভাষণ

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, গণতন্ত্র, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক শান্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৪টা ১৮ মিনিটের দিকে তিনি বাংলায় ভাষণ শুরু করেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এটি তার প্রথম ভাষণ। ভাষণের শুরুতে তিনি সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান এবং দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে বিদায়ী সভাপতি এনালেনা বেয়ারবকের নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানান।

শুরুতেই তিনি বাংলাদেশের সব শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। স্বাধীনতার পর থেকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদেরও স্মরণ করেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।

জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের পরিবারের সদস্যদের জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। একইভাবে তিনিও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ এবং শান্তিময় বিশ্বের প্রত্যাশা নিয়ে এই মঞ্চে দাঁড়িয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের প্রতিপাদ্য—‘রিস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন: এ ইউনাইটেড নেশসনস দ্যাট ডেলিভারস ফর অল’—সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন তিনি। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বহুপাক্ষিকতার নীতিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংঘাত প্রতিরোধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শান্তির পক্ষে বাংলাদেশ কাজ করছে বলেও জানান। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অভিবাসন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনীতিতে অভিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বাংলাদেশ নিয়মিত, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অভিবাসীদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে আরও জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটকে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে দেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও সেখানেই নিহিত। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়াকেই তিনি এই সংকটের একমাত্র সমাধান হিসেবে উল্লেখ করেন। চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম হলেও এর বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশকে বহন করতে হচ্ছে। জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন তিনি।

পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ক্লিন এনার্জি ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বন্যা ও খরার ঝুঁকি মোকাবিলায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচিও শুরু হয়েছে।

সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও বৃহৎ জলাধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের জন্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। পানি সংরক্ষণ ও দূষণ রোধে অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসন-শোষণের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গুম, খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থ পাচারের মতো সমস্যার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ বা থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাংলাদেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখার কথাও জানান তিনি।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী হওয়ায় আর্থ-সামাজিক রূপান্তরে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত নারীদের বিনাবেতনে শিক্ষার সুযোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

শুধু ভোটের গণতন্ত্র নয়, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নও সরকারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর কথা জানান। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে পরিবারপ্রধান নারীর নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। বিভিন্ন কার্ডকে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জাতিসংঘের ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ নীতির সঙ্গে সরকারের ৩১ দফার উল্লেখযোগ্য অংশের সামঞ্জস্য রয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে শহর ও গ্রামের উন্নয়ন বৈষম্য কমানো এবং ২০৩০ এজেন্ডার আওতায় জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করেন তিনি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খেলাধুলাকে সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে এবার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। কর্মমুখী শিক্ষা, কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের কথা বলেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাগ, স্কুল ইউনিফর্ম ও বিনামূল্যে দুপুরের খাবার দেওয়ার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শিক্ষা সিলেবাসে ‘স্পোর্টস’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। গত জুনে আয়োজিত দেশব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়োটেকনোলজি ও বিজ্ঞানের নতুন যুগে প্রবেশ করছে। তবে প্রযুক্তির সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়। বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী ও ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়াকে টেকসই করতে নিশ্চিত অর্থায়ন, বাজারে অধিকতর প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে পারস্পরিক সমৃদ্ধি অর্জনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিশ্বকে টিকে থাকতে হলে পারস্পরিক সহায়তা, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা অপরিহার্য। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে টিকা, চিকিৎসাসামগ্রী ও রোগ নির্ণয়ের সরঞ্জামের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি, যাতে এসব সুবিধা সবার জন্য সহজলভ্য হয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে এমন একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, কল্যাণমুখী ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান যেখানে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিরাপদে, সমান অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ, নারীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবন পরিচালনা এবং শিশুদের সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের সব নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, ‘মাননীয় সভাপতি, আপনাকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page