1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, দাবি প্রতিমন্ত্রীর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন, দাবি নাকচ করলেন প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার দাবি, আটক ১ ৭ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ অষ্টমী পূজা উপলক্ষে সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সাইবার সুরক্ষা আইনে মতামত ও রাজনৈতিক সমালোচনায় শাস্তি না দেওয়ার সুপারিশ সম্পাদক পরিষদের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কারণ জানতে চাইল ঢাকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি ও পদায়ন রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর

ফের আদালতের স্থগিতাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার সীমিত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা নতুন নির্বাহী আদেশের কার্যকরিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক ডেবোরা বোর্ডম্যান এ আদেশ দেন। অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়ন স্থগিত করেন।

বিচারক বোর্ডম্যান বলেন, মামলার আওতাভুক্ত শিশুদের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন আদেশটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই অসাংবিধানিক। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ইতোমধ্যে রায় দিয়েছে যে ওই শ্রেণির শিশুরা জন্মের সময়ই মার্কিন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার অধিকারী।

এর আগে গত ৩০ জুন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার প্রথম উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করে। ছয়-তিন সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে আদালত জানায়, ওই নির্বাহী আদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর নাগরিকত্ব ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

চতুর্দশ সংশোধনীর ওই ধারায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী এবং দেশটির আইনগত এখতিয়ারের অধীন ব্যক্তিরা জন্মের সময়ই মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করবেন।

সুপ্রিম কোর্টের ওই রায়ের পর গত ৬ আগস্ট ট্রাম্প নতুন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এবার তথাকথিত ‘বার্থ ট্যুরিজম’—অর্থাৎ সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিদেশি নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা হয়।

নতুন আদেশ অনুযায়ী, শিশুটির বাবা অথবা মা যদি যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি সরকারের হয়ে কাজ করেন, নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতারণা বা কোনো বাণিজ্যিক লেনদেনে জড়িত থাকেন, অথবা তাকে ‘এলিয়েন এনিমি’ বা শত্রু দেশের নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে ওই শিশুর জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব অস্বীকার করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

তবে নতুন আদেশের বিরুদ্ধেও আদালতের দ্বারস্থ হন অভিবাসী অধিকারকর্মীরা। তাদের দাবি, নতুন আদেশটি আগেরটির তুলনায় সীমিত হলেও এর মাধ্যমে এমন শিশুদের নাগরিকত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, যাদের নাগরিকত্বের অধিকার আদালতের রায়ে ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে।

বিচারক বোর্ডম্যান তার আদেশে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মামলার আওতাভুক্ত শিশুরা জন্মের সময়ই মার্কিন নাগরিক।

আদালতের নির্দেশনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা মামলার আওতাভুক্ত শিশুদের নাগরিকত্ব অস্বীকার, প্রত্যাখ্যান বা স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ—এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেন, নতুন নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারি সংস্থাগুলো এখনো বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেনি। ফলে এ পর্যায়ে মামলা করা অকালপক্ব এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞাও যথাযথ নয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, আগামী শনিবারের মধ্যে সরকারি সংস্থাগুলো নতুন আদেশ বাস্তবায়নের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করতে পারে। এরপর ওই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানানোই যুক্তিসংগত হবে।

তবে বিচারক বোর্ডম্যান এই যুক্তি গ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, সরকারি সংস্থাগুলো এখনো নির্দেশনা প্রকাশ না করলেও নির্বাহী আদেশের ভাষা এমন যে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী সব শিশুর ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য হতে পারে।

শিশুদের নাগরিকত্বের অধিকার রক্ষায় তাই এখনই আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন আদেশ বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ইতোমধ্যে একটি খসড়া নির্দেশনা তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। প্রস্তাবিত নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো শিশুর মার্কিন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার সময় তার বাবা-মায়ের নাগরিকত্ব অথবা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত অবস্থার প্রমাণ দিতে হতে পারে।

আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়ন আপাতত বাধাগ্রস্ত হলো। একই সঙ্গে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও অভিবাসী অধিকারকর্মীদের আইনি লড়াই আরও দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page