1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
জেলেনস্কি যুদ্ধ থামাতে চান না, অভিযোগ ট্রাম্পের ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেফতার সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইয়েমেনে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৫৩, আহত প্রায় ২০০ লক্ষীপুর জেলায় চলতি মৌসুমে ৭১০ কোটি টাকার সুপারি উৎপাদন পূ্বধলায় শিশুর সঙ্গে পাশবিকতা,মাদ্রাসা পরিচালক দুলাল গ্রেপ্তার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন স্বৈরাচার ফেরার পথ খুললে দেশের জন্য ভালো হবে না: প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজদু মিয়া, শারদীয় শুভেচ্ছা

চাকরির বাজারের চাহিদা মেটাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

চাকরির বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বর্ষভিত্তিক পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে সেমিস্টার পদ্ধতি, ট্রেড কোর্স, নতুন সিলেবাস এবং আউটকাম-বেইসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম চালুর প্রস্তুতি চলছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বছরে দুটি সেমিস্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এটি বাস্তবায়নে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।

দুই বছরের মধ্যে সেমিস্টার পদ্ধতির লক্ষ্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতেই সেমিস্টার পদ্ধতিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে তা এখনই সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন,

“শিক্ষাক্রম ও সিলেবাস পরিবর্তনের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। বিজি প্রেসের সীমাবদ্ধতার কারণে এখনই সেমিস্টার পদ্ধতিতে যেতে পারছি না। তবে দুই বছরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।”

বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষার সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। অনার্সে আটটি, মাস্টার্সে চারটি এবং ডিগ্রি (পাস) কোর্সে ছয়টি পরীক্ষা নিতে হবে।

উপাচার্য জানান, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ প্রশ্নপত্র ছাপানো। বছরে প্রায় ২০ সেট প্রশ্নপত্র প্রয়োজন হবে, যা বর্তমানে বিজি প্রেসের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য তেজগাঁওয়ে বিজি প্রেসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পৃথক ভবন ও সেকশন করার পরিকল্পনা রয়েছে।


আসছে একগুচ্ছ ট্রেড কোর্স

শিক্ষার্থীদের চাকরিযোগ্য করে তুলতে একাধিক ট্রেড কোর্স চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

বর্তমানে অনার্সের সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ও আইসিটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এর সঙ্গে অন্তত একটি ট্রেড কোর্সও বাধ্যতামূলক থাকবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী কোর্স নির্বাচন করতে পারবেন।

উপাচার্য বলেন,

“গ্র্যাজুয়েশন করে যেন কাউকে চাকরির জন্য বসে থাকতে না হয়, সে লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে।”

সম্ভাব্য কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • ফ্রিল্যান্সিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ডাটা সায়েন্স
  • হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
  • কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণ
  • কম্পিউটার অ্যাসেম্বলিং
  • ফ্রিজ ও এসি মেরামত
  • বিভিন্ন কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্স

এছাড়া বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সৌদি আরব, জাপান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।


পরিবর্তন হচ্ছে সিলেবাস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সিলেবাসও যুগোপযোগী করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই ধাপে সিলেবাস সংশোধনের কাজ শেষ করা হবে। প্রথম ধাপের কাজ দ্রুত শেষ করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো সংস্কার সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপাচার্য বলেন,

“২০২৭ ও ২০২৮ সালে যারা এই নতুন সিলেবাসে পাস করবে, তারা দক্ষ কর্মী হিসেবে বের হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ে ভাষা বা দক্ষতার ঘাটতি নিয়ে বের হওয়ার যে ধারণা রয়েছে, সেটির অবসান ঘটবে।”


ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং কর্মক্ষেত্রমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে আউটকাম-বেইসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম বাস্তবায়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডেভেলপমেন্ট অব আউটকাম-বেইসড এডুকেশন কারিকুলাম’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

উপাচার্য বলেন,

“শিক্ষার্থীদের শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা ও সৃজনশীলতা অর্জনে সহায়তা করাই আমাদের লক্ষ্য। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী শিক্ষাক্রম গড়ে তোলা হবে।”

তিনি আরও বলেন, শ্রেণিকক্ষের পাঠদানকে যুগোপযোগী, প্রযুক্তিনির্ভর ও আনন্দময় করতে শিক্ষকদেরও নিয়মিত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তোলা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page