1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু: কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ আওয়ামী লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর আশা ইসির নবায়ন নয়, গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ সর্বজনীন পেনশনে আসছে শরিয়াহভিত্তিক ব্যবস্থা, সংসদে যাচ্ছে বিল মাদক-জুয়া প্রতিরোধে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত মাদক-জুয়া প্রতিরোধে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত রিয়ালের প্রস্তাব ফিরিয়ে বার্সেলোনায় রদ্রি মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানের নোমান মাহমুদ শি জিনপিংকে ট্রাম্পের স্বাগত, বাণিজ্যবিরতি বাড়ল ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত

নবায়ন নয়, গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি শুধু নবায়ন নয়, বরং বাংলাদেশের স্বার্থ ও পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করে গ্যারান্টি ক্লজসহ একটি নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এবার নতুন চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষিত করতে চায়। নতুন চুক্তিতে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং এর মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হওয়ার কথা। চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কায় গঙ্গার প্রবাহের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টনের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে।

আলোচনা সভায় দেশের নদ-নদীর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী। তিনি বলেন, নদী বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তবে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে দেশের নদীগুলো নানা সংকটে পড়েছে। বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা নদীকে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে নদীদূষণের মূল কারণ চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকা মহানগরে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৯০০ মিলিয়ন লিটার তরল বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য অপরিশোধিত অবস্থায় নদীতে গিয়ে পড়ে। এর ফলে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ক্ষতির প্রভাব পড়ছে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ঢাকার আশপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধ, পরিবেশ ও নাব্যতা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ঢাকা গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এর বড় ধরনের ক্ষতি মোকাবিলা করতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page