ভেনেজুয়েলায় গত ২৪ জুন আঘাত হানা শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৫৩৫ জনে পৌঁছেছে। সোমবার প্রকাশিত দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম Axios-কে জানিয়েছেন, ইরানের সামরিক বাহিনীর নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রে জাহাজ দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রে এক সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র দাবদাহে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের পূর্ব উপকূল, দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৪ কোটি মানুষ চরম গরমের সতর্কতার আওতায় রয়েছেন। মার্কিন
ইরানের রাজধানী তেহরানে আজ (সোমবার) সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন আজাদি স্কয়ারে নেওয়া হবে। এ উপলক্ষে সেখানে লাখো মানুষের সমাগম হবে বলে ধারণা
হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের সময় ছয়টি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড। সংস্থাটির দাবি, ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) সদস্যরা জাহাজগুলোকে ওমান করিডোরের পরিবর্তে অন্য
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি এবং তার পরিবারের চার সদস্যের জানাজা রোববার (৫ জুলাই) সকালে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রখ্যাত আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানির
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, খামেনিকে মানুষ এতটা
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রাক্কালে দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা দিয়েছে। নজিরবিহীন এই দাবদাহের কারণে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড ও গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বাতিল বা স্থগিত করেছে
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরান-এর গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নেমেছে। শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকে শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠান আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর এবং ওই সফরে আলোচিত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নিবিড় নজর রাখছে ভারত। বিশেষ করে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরের প্রস্তাব, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প