1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনায় দুর্গাপূজায় চার স্তরের নিরাপত্তা, দায়িত্বে ১১ হাজারের বেশি সদস্য

ইসলামে শ্রমিকের দায়িত্ব ও সততা: কর্মই হতে পারে ইবাদত

ইসলামিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ইসলাম শ্রম ও কর্মকে শুধু জীবিকা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। একজন ব্যক্তি যদি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজের কর্মসম্পাদন করেন, তবে তা মহান আল্লাহর কাছে মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে গণ্য হয়।

ইসলামী শিক্ষায় শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তার দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন শ্রমিকের প্রধান দায়িত্ব হলো চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা, কর্মঘণ্টা মেনে চলা, কাজের মান বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনে সততা প্রদর্শন করা।

এ প্রসঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসেন, যে তার কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে।” (সহিহুল জামে: ১৮৯১)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ইসলামে কাজের গুণগত মান, আন্তরিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বে অবহেলা, সময় নষ্ট করা বা নির্ধারিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করেও পারিশ্রমিক গ্রহণ করা ইসলামী নৈতিকতার পরিপন্থী। ইসলামী শরীয়তের আলোকে এটি আমানতের খেয়ানত এবং অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করার শামিল। এ ধরনের আচরণ একজন মানুষকে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, যারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, তাদের জন্য ইসলামে বিশেষ মর্যাদা ও পুরস্কারের সুসংবাদ রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তিন শ্রেণির মানুষ দ্বিগুণ প্রতিদান লাভ করবে। তাদের মধ্যে একজন হলো সেই কর্মচারী বা শ্রমিক, যে তার মালিকের অধিকার আদায় করে এবং একই সঙ্গে আল্লাহর অধিকারও আদায় করে।” (মিশকাতুল মাসাবিহ: ১১)

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যেক কর্মজীবী মানুষের উচিত নিজের দায়িত্বকে একটি আমানত হিসেবে বিবেচনা করা। দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাগত নিষ্ঠার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি যেমন সমাজে সম্মান অর্জন করতে পারেন, তেমনি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের পথও সুগম করতে পারেন।

সুতরাং, কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করা একজন মুসলমানের নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য। এর মাধ্যমে দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ ও রিজিকের বরকতের পাশাপাশি আখেরাতেও মহান পুরস্কারের আশা করা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page