1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
তাহসিফের মৃত্যু: তরুণী দিশা গ্রেফতার, রিমান্ডে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ শিক্ষা, আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ইউরোপজুড়ে জেন-জির বিক্ষোভ মিরপুর টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হারল বাংলাদেশ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান পোশাকশ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড, কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সোমবার থেকে ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু মিরপুর-১০-এ পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুর-১০-এ ফের শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ ২০ মিনিটে বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ৩ নভেম্বর, ট্রাম্পের ক্ষমতায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরের মেয়াদের মাঝপথে আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৩টি এবং বিভিন্ন রাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে ভোট দেবেন মার্কিন নাগরিকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেসের নির্বাচন আলাদা হওয়ায় কংগ্রেসে ট্রাম্পের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও তিনি ক্ষমতায় থাকবেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল তাঁর নীতি বাস্তবায়ন, বাজেট অনুমোদন এবং আইন প্রণয়নের সক্ষমতায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ঐতিহাসিকভাবে মধ্যবর্তী নির্বাচন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা ও কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পেতে পারে। তবে সিনেটে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

কংগ্রেস বিভক্ত হলে চাপে পড়বে ট্রাম্প প্রশাসন

নির্বাচনের পর কংগ্রেসের দুই কক্ষ ভিন্ন দলের নিয়ন্ত্রণে গেলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন আইন পাস করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি কিংবা কর কমানোর মতো উদ্যোগ বাস্তবায়নে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

এ পরিস্থিতিতে করপোরেট কর কমানো বা প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর মতো ট্রাম্পের প্রস্তাবগুলো বাধার মুখে পড়তে পারে। বাজেট ও বড় ধরনের আর্থিক প্যাকেজ অনুমোদনেও তৈরি হতে পারে রাজনৈতিক অচলাবস্থা।

নির্বাহী আদেশের ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে

কংগ্রেসে আইন পাসের পথ কঠিন হলে ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাহী আদেশের (এক্সিকিউটিভ অর্ডার) ওপর বেশি নির্ভর করতে পারে। প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার আওতায় বাণিজ্য, শুল্ক আরোপ ও পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়মকানুন কঠোর করা এবং অভিবাসন নীতিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের মতো পদক্ষেপ অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি প্রতিপক্ষ দেশগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অর্থনীতিতে তৈরি হতে পারে অনিশ্চয়তা

কংগ্রেসে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও নীতিনির্ধারণে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে শেয়ারবাজার ও বন্ডবাজারে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে করনীতিতে পরিবর্তন কিংবা সরকারি ঋণের সীমা (ডেট সিলিং) নিয়ে অচলাবস্থা বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হলেও দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গতিপথ নির্ধারণ করবে মৌলিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফাই শেষ পর্যন্ত অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page