1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের পর দীর্ঘ ১৬ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ফুটবলের সর্বোচ্চ শিরোপা জিতেছে স্প্যানিশরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। পঞ্চম মিনিটেই লামিন ইয়ামাল ও দানি ওলমোর দুর্দান্ত সমন্বয়ে প্রথম বড় সুযোগ তৈরি হয়। তবে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় সেই আক্রমণ ব্যর্থ হয়।

প্রথমার্ধজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল স্পেনের। তারা তিনটি শট নেয়, যার দুটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো শটই নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।

৪১তম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। দুই মিনিট পর চোটের কারণে তিনি মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি। একই সময়ে স্পেনের মার্ক কুকুরেয়ার একটি জোরালো প্রচেষ্টা অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।

প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়েও এগিয়ে ছিল স্পেন। তারা প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে, যেখানে আর্জেন্টিনার দখলে ছিল ৩৫ শতাংশ। পাসের সংখ্যাতেও ছিল বড় ব্যবধান—স্পেনের সফল পাস ছিল ৩১৩টি, আর আর্জেন্টিনার ১৫৫টি।

দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক আক্রমণ চালায় স্পেন। তবে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।

নির্ধারিত সময়ের যোগ করা সময়ে বেপরোয়া ট্যাকলের দায়ে এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ফলে অতিরিক্ত সময়ের পুরোটা ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় আর্জেন্টিনাকে।

অতিরিক্ত সময়ের ৯৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে ১০৬তম মিনিটে আর ভুল করেনি স্পেন। নিকো উইলিয়ামসের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে ফেরান তোরেস গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

গোল হজমের পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কয়েকটি আক্রমণ গড়লেও স্পেনের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি তারা। শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে মেতে ওঠেন স্পেনের ফুটবলার ও সমর্থকরা।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে হতাশ হয়ে মাঠে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় স্পেনের তরুণ উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল এগিয়ে গিয়ে তার পিঠে হাত রেখে সান্ত্বনা দেন। ক্রীড়াসুলভ এই মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।

এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল স্পেন, আর আর্জেন্টিনাকে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page