
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের Stanford University। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিন বছরের গবেষণার সুযোগ নিয়ে চালু হয়েছে সায়েন্স ফেলোশিপ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের যোগ্য নাগরিক এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
যেসব বিষয়ে গবেষণার সুযোগ
সায়েন্স ফেলোশিপের আওতায় জ্যোতির্বিজ্ঞান ও অ্যাস্ট্রোফিজিকস, জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পৃথিবী ও মহাসাগরবিজ্ঞান, গণিত ও পরিসংখ্যান, পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞান এবং থিওরি ও সিমুলেশনসহ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা করা যাবে।
ফেলোশিপে থাকছে যেসব সুবিধা
ফেলোশিপে নির্বাচিতরা বছরে ৯৮ হাজার মার্কিন ডলার স্টাইপেন্ড পাবেন। এর পাশাপাশি গবেষণা ও পেশাগত উন্নয়নের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার এবং স্থানান্তর ব্যয় হিসেবে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ ডলার দেওয়া হবে।
যোগ্য ফেলোদের শিশু যত্ন ও ভিসা ব্যয়ের জন্যও সহায়তা দেওয়া হবে। ফলে গবেষণার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য খরচেও আর্থিক সুবিধা পাবেন নির্বাচিতরা।
যারা আবেদন করতে পারবেন
আবেদনকারীকে ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ের বিজ্ঞানী হতে হবে এবং ফেলোশিপ শুরু হওয়ার আগের তিন বছরের মধ্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। অন্য প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ দুই বছরের পোস্টডক্টরাল অভিজ্ঞতা থাকা যাবে।
তবে বর্তমানে স্ট্যানফোর্ডের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী ও পোস্টডক্টরাল গবেষকেরা এ ফেলোশিপে আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে, যারা ১ মার্চ ২০২৭-এর আগে স্ট্যানফোর্ডে পোস্টডক্টরাল পদে যোগ দেবেন, তারাও এ ফেলোশিপের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আবেদন করতে হবে যেভাবে
অ্যাকাডেমিক জবস অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীদের সম্ভাব্য স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গবেষণার সহযোগিতা ও হোস্টিংয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।
ফেলোশিপ পাওয়ার আগে অন্তত একজন স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি সদস্যকে আবেদনকারীকে হোস্ট করতে সম্মত হতে হবে।
যেসব কাগজপত্র লাগবে
আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে—
গবেষণা প্রস্তাবে গবেষণার সমস্যা, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরে কী অর্জন করা সম্ভব এবং প্রস্তাবিত গবেষণায় স্ট্যানফোর্ড কীভাবে সহায়তা করতে পারে—এসব বিষয় তুলে ধরতে হবে।
ফেলোশিপের মেয়াদ ও সময়সীমা
ফেলোশিপের মেয়াদ তিন বছর। সাধারণত এটি শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৭ এবং শেষ হবে ৩১ আগস্ট ২০৩০। তবে ১ জুলাই বা ১ আগস্ট থেকেও যোগ দেওয়া সম্ভব। কোনো অবস্থাতেই ১ সেপ্টেম্বরের পরে যোগদান করা যাবে না।
আবেদনের শেষ সময়
আবেদনের শেষ সময় ১৬ অক্টোবর ২০২৬। আগ্রহী প্রার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।