1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টায় মিয়ানমারে দুটি ভূমিকম্প, এখনো ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

মিয়ানমারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দুটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, সর্বশেষ শনিবার (১১ জুলাই) ভোররাতে দেশটিতে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় মিয়ানমারে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।

এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের ভূমিকম্পটি ভারতীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৯০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পটির স্থানাঙ্ক ছিল ২১.৬৯৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৪.৫০৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে আঘাত হানা ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০০ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। দেশটি ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্দা ও বার্মা—এই চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ফলে এ অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক কার্যক্রম সব সময় সক্রিয় থাকে এবং মাঝারি থেকে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিদ্যমান।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের অন্যতম কারণ দেশটির মধ্য দিয়ে বিস্তৃত প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগাইং ফল্ট। এই সক্রিয় ফাটলরেখার আশপাশে সাগাইং, মান্দালে, বাগো ও ইয়াঙ্গুনের মতো বড় শহর গড়ে উঠেছে, যেখানে দেশের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষ বসবাস করে।

গবেষকদের মতে, ইয়াঙ্গুন মূল ফাটলরেখা থেকে কিছুটা দূরে হলেও অতিরিক্ত জনঘনত্বের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বেশি। ১৯০৩ সালে বাগো অঞ্চলে ৭ দশমিক ০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাব ইয়াঙ্গুনেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছিল।

তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আঘাত হানা দুটি ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page