1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

প্রথমবার পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট সফলভাবে অবতরণ করাল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

চীন প্রথমবারের মতো একটি পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট সফলভাবে অবতরণ করিয়েছে। এ অর্জনকে দেশটির মহাকাশ কর্মসূচির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কর্পোরেশন (CASC) জানায়, লং মার্চ–১০বি রকেটটি স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে দক্ষিণ চীনের হাইনান প্রদেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

উৎক্ষেপণের প্রায় ছয় মিনিট পর রকেটের বুস্টার মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসে। পরে একটি ভাসমান প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেটি সফলভাবে উদ্ধার করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্যের মাধ্যমে পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নতুন ধাপ পার করল চীন। বর্তমানে এ প্রযুক্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে স্পেসএক্স এবং ব্লু অরিজিন।

সাধারণত রকেট একবার উৎক্ষেপণের পর এর বিভিন্ন অংশ ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায়, যা মহাকাশ মিশনের ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। তবে বুস্টার পুনঃব্যবহার করা গেলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ও মহাকাশ গবেষণার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

২০১৫ সালে স্পেসএক্স প্রথমবারের মতো ফ্যালকন ৯ রকেটের বুস্টার সফলভাবে অবতরণ করায়। পরে ব্লু অরিজিন-ও পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তিতে সফলতা অর্জন করে।

বর্তমানে ফ্যালকন ৯ বছরে প্রায় ১৫০টি উৎক্ষেপণে ব্যবহৃত হয় এবং এর অনেক বুস্টার একাধিকবার পুনঃব্যবহার করা হয়েছে।

চীন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লং মার্চ–১০এ রকেটের মাধ্যমে পুনঃব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির প্রথম পরীক্ষামূলক অবতরণ পরিচালনা করেছিল। সে সময় বুস্টারটি নিয়ন্ত্রিতভাবে সমুদ্রে একটি পুনরুদ্ধার প্ল্যাটফর্মের পাশে অবতরণ করেছিল।

নতুন লং মার্চ–১০বি রকেট পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অন্তত ১৬ মেট্রিক টন পেলোড বহনে সক্ষম। প্রযুক্তিগত সক্ষমতার দিক থেকে এটিকে অনেকেই স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯-এর সমমানের হিসেবে বিবেচনা করছেন।

তবে অবতরণ পদ্ধতিতে রয়েছে পার্থক্য। ফ্যালকন ৯ যেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থলভিত্তিক প্যাড বা ড্রোন জাহাজে অবতরণ করে, সেখানে লং মার্চ–১০বি একটি বিশেষ ‘ল্যান্ডিং হুক’ ব্যবহার করে ভাসমান প্ল্যাটফর্মে স্থাপিত জালের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে উদ্ধার করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page