1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর এবং ওই সফরে আলোচিত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নিবিড় নজর রাখছে ভারত। বিশেষ করে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরের প্রস্তাব, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনার সম্ভাব্য প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হয়।

গত মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যান। সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

সফরের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে সংযুক্ত করে একটি অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। এই করিডরের মাধ্যমে আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর কথা তুলে ধরা হয়।

এ বিষয়ে পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, চীনের প্রস্তাবটি সরকার পর্যালোচনা করছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী?

জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ ধরনের সব বিষয়ই ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তবে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ভারতের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে কি না— সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

উল্লেখ্য, ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, সফরের সময় চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ বা চীনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ব্রিফিংয়ে তিস্তা প্রকল্প ও মোংলা বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে বাংলাদেশ-চীন আলোচনার বিষয়েও ভারতের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতা দুই দেশের পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেই রোডম্যাপ নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। তিনি আরও বলেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের অবস্থান আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতের যেকোনো অগ্রগতি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই মূল্যায়ন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page