1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

রাজস্থানে বাস-ট্রেলার সংঘর্ষে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭, আহত ২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

ভারতের রাজস্থানের দৌসা জেলায় দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার কোচ নৈশবাস ও ট্রেলারের (বড় ট্রাক) সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর উভয় যানবাহনে আগুন ধরে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে কোলওয়া থানা এলাকার তানাওয়াড়ের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় বাসের অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। সংঘর্ষের তীব্রতায় স্লিপার বার্থে থাকা অনেক যাত্রী নিচে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায় এবং এর পেছনের অংশে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন আগুনে পুড়ে এবং দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে মারা যান। আহত ২২ জনকে উদ্ধার করে দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছেন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে অংশ নিলেও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেয়। সময়মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হলে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হতো বলে দাবি করেন তারা।

এদিকে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, বাসের নিচের লাগেজ কম্পার্টমেন্টে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের কার্টন ও প্যাকেট রাখা ছিল। তাদের মতে, প্লাস্টিক ও তামাকজাতীয় দাহ্য সামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি প্রশাসন।

দৌসা জেলার পুলিশ সুপার পীযূষ দীক্ষিত জানান, দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে দ্রুতগতির বাসটির চালক ঘুমিয়ে পড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা ট্রেলারকে ধাক্কা দেন।

তিনি আরও জানান, বাসে সিগারেটের কার্টন বহনের অভিযোগসহ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page