
পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে উয়েফা নেশন্স লিগের অভিযানের মাঝপথে দল ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ২৫৫ ইউরো জরিমানা ও ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) তাঁর বিরুদ্ধে এ শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রধান কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে মাঠে খেলার সময় নিয়ে বিরোধের জেরে পর্তুগাল দল ছেড়েছিলেন রোনালদো। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বেঞ্চে বসে থাকার পর কোচের বিরুদ্ধে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।
দল ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে রোনালদো জানান, কোচ তাঁকে ৩০ মিনিট খেলার সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন তিনি। বিরতির পর ওয়ার্মআপ করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে মাঠে নামানো হয়নি।
রোনালদো বলেন, ‘কোচ আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, নরওয়ের বিপক্ষে ৩০ মিনিট খেলতে প্রস্তুত কি না। আমি রাজি হয়েছিলাম। তিনি আমাকে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন, কারণ আমি ৩০ মিনিট খেলব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আমাকে মাঠে নামাননি। কোচ আমার কাছে দেওয়া কথা রাখেননি।’
পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন যে শাস্তিই দিক, তা মেনে নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন রোনালদো। একই সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই তারকাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার জরিমানার পাশাপাশি ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিল পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন।
রোনালদোর শাস্তির এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞাটি কোন সময় থেকে কার্যকর হবে এবং জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পরবর্তী ম্যাচে এর প্রভাব কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।