1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
দুর্গাপূজার নবমীতে তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী পর্তুগাল দল ছেড়ে যাওয়ায় রোনালদোর জরিমানা, ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা কক্সবাজারে দিনের বেলায় সড়কে ডাকাতি, জিম্মি করে লুট শতাধিক যাত্রীর টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, সালমান খানের বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসারে বিশেষ অধ্যাদেশ জারি বেনামে বিমা পলিসি খোলা নিষিদ্ধ, ১০ লাখ টাকার নগদ লেনদেনে প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী গুলিস্তানে বোমাসদৃশ বস্তু ঘিরে আতঙ্ক, ভেতরে মিলল কাপড় ও পচা ফল দুর্গাপূজার ছুটিতে টানা পাঁচ দিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৯, আহত ১৫

আলিনা আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের ফাঁসি

লিমন, স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

চার বছর আগে চট্টগ্রামে শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার পর মরদেহ খণ্ডবিখণ্ড করে সাগরে ফেলে দেওয়ার আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, আলামত উদ্ধার এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে ঘটনাটিকে পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর, নৃশংস ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনের পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটিয়া আবীর আলী। ২৫ নভেম্বর গ্রেফতারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পিবিআই জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডিত করা হয় এবং বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্ত চলাকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বঁটি ও আয়াতের জুতা উদ্ধার করা হয়। ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা এবং পরদিন তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আবীরের বাসা থেকে সংগ্রহ করা রক্তের নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় তা আয়াতের ডিএনএর সঙ্গে মিল পাওয়া যায়।

ঘটনার পর আয়াতের বাবা ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে আবীর আলী ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির বিচার বর্তমানে শিশু আদালতে চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page