1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

মেক্সিকোতে কুমিরকে বিয়ে করলেন মেয়র, ২৩০ বছরের ঐতিহ্য ঘিরে বিশ্বজুড়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বের নানা প্রান্তে এখনো টিকে আছে শতাব্দীপ্রাচীন নানা ঐতিহ্য ও লোকাচার। তেমনই এক ব্যতিক্রমী রীতি পালন করতে গিয়ে মেক্সিকোর একটি উপকূলীয় শহরের মেয়র প্রতীকীভাবে একটি স্ত্রী কাইম্যান (এক ধরনের কুমির)কে বিয়ে করেছেন। ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ মেক্সিকোর ওয়াহাকা অঙ্গরাজ্যের সান পেদ্রো হুয়ামেলুলা শহরের মেয়র ভিক্তর হুগো সোসা ‘আলিসিয়া আদ্রিয়ানা’ নামের একটি স্ত্রী কাইম্যানকে বিয়ে করেন। এটি স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রায় ২৩০ বছরের পুরোনো একটি প্রতীকী ঐতিহ্যের অংশ।

বিয়ের সময় মেয়র বলেন, “আমাদের মাঝে ভালোবাসা রয়েছে। ভালোবাসা ছাড়া কোনো বিয়ে হতে পারে না। আমি এই রাজকুমারীকে বিয়ে করতে সম্মত হচ্ছি।” অনুষ্ঠানে তাঁকে কাইম্যানটির মাথায় চুম্বন করতেও দেখা যায়।

এই বিয়ের আয়োজন হয় ওয়াহাকার আদিবাসী চন্টাল জনগোষ্ঠীর শহর সান পেদ্রো হুয়ামেলুলায়। অনুষ্ঠানজুড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা নাচ-গান ও করতালির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন উদযাপন করেন।

স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কাইম্যানটি হুয়াভে সম্প্রদায়ের ‘রাজকুমারী’র প্রতীক, আর মেয়র চন্টাল রাজার প্রতীক হিসেবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন। এই প্রতীকী বিবাহের মাধ্যমে দুই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক শান্তি, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের স্মৃতি ধরে রাখা হয়।

অনুষ্ঠানের আগে ‘আলিসিয়া আদ্রিয়ানা’কে শহরের বিভিন্ন বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা তাকে কোলে নেন, নাচেন এবং ঐতিহ্যবাহী রীতির অংশ হিসেবে শুভেচ্ছা জানান।

কাইম্যানটিকে সবুজ স্কার্ট, হাতে তৈরি রঙিন টিউনিক, ফিতা, মুকুট এবং পরে সাদা বিয়ের পোশাকে সাজানো হয়। নিরাপত্তার জন্য অনুষ্ঠানের আগে তার মুখ ফিতা দিয়ে আলতোভাবে বেঁধে দেওয়া হয়, যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

টাউন হলে প্রতীকী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মেয়র তাঁর ‘নববধূ’র সঙ্গে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সুরের তালে নৃত্যও পরিবেশন করেন।

পরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে মেয়র ভিক্তর হুগো সোসা বলেন, “আজ আমরা দুটি সংস্কৃতির মিলন উদযাপন করছি। এতে মানুষ খুবই আনন্দিত।”

উল্লেখ্য, এই আয়োজনটি কোনো বাস্তব বৈবাহিক সম্পর্ক নয়; বরং স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে প্রতিবছর প্রতীকীভাবে পালন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page