1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলে নির্মিত হলো ৫ রোপওয়ে

এম আর রোমেল, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি রজ্জুপথ (রোপওয়ে) নির্মাণ করেছে বন বিভাগ। এই উদ্যোগের ফলে বানর, হনুমান, কাঠবিড়ালিসহ গাছে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রাণী মহাসড়কে না নেমেই বনের এক পাশ থেকে অন্য পাশে নিরাপদে চলাচল করতে পারছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটির কার্যকারিতা ইতিবাচক হলে বনাঞ্চলের আরও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একই ধরনের রোপওয়ে নির্মাণ করা হবে।

টাঙ্গাইল বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক চলে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল বিভক্ত হয়ে গেছে। খাদ্য সংগ্রহ বা চলাচলের সময় অনেক প্রাণী রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগতির যানবাহনের ধাক্কায় আহত বা মারা যায়। এ ঝুঁকি কমাতেই রাস্তার দুই পাশের উঁচু গাছের সঙ্গে বিশেষভাবে শক্ত দড়ি সংযুক্ত করে রোপওয়েগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।

মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, রোপওয়ে ব্যবহার করে এখন বানর, হনুমান, কাঠবিড়ালি ও অন্যান্য বৃক্ষবাসী প্রাণী মাটিতে না নেমেই নিরাপদে চলাচল করতে পারছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বনাঞ্চলে খাদ্যের সংকট দেখা দিলে বানর ও হনুমান প্রায়ই মহাসড়কে চলে আসে। অনেক পথচারী তাদের খাবার দেওয়ায় প্রাণীগুলো নিয়মিত সড়কে আসতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। নতুন রোপওয়ে চালুর মাধ্যমে এ ধরনের দুর্ঘটনা কমবে বলে তারা আশা করছেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ বলেন, বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে প্রাণহানি কমার পাশাপাশি বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ.এস.এম সাইফুল্লাহ বলেন, মুখপোড়া হনুমানসহ অনেক বৃক্ষবাসী প্রাণী গাছের ডাল ধরে চলাচল করে। রোপওয়ে থাকলে তাদের সড়ক পারাপার ও বিদ্যুতের তারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে।

টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন জানান, মধুপুর শালবন প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের আওতায় ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে পঁচিশ মাইল থেকে রসুলপুর বাজার পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বনে বসবাসকারী প্রাণীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পরীক্ষামূলক প্রকল্পের ফল ইতিবাচক হলে ভবিষ্যতে আরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের রোপওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page