1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, দাবি প্রতিমন্ত্রীর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন, দাবি নাকচ করলেন প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার দাবি, আটক ১ ৭ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ অষ্টমী পূজা উপলক্ষে সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সাইবার সুরক্ষা আইনে মতামত ও রাজনৈতিক সমালোচনায় শাস্তি না দেওয়ার সুপারিশ সম্পাদক পরিষদের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কারণ জানতে চাইল ঢাকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি ও পদায়ন রাঙামাটির কৃতি সন্তান মো. সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর

ট্রাম্পকে চাপে ফেলতে সংঘাতের পরিধি বাড়ানোর কৌশলে ইরান: রয়টার্স বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কৌশলগত ছাড় দিতে বাধ্য করতে সংঘাতের পরিধি ধীরে ধীরে বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার নৌপথ, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য রুটকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ওয়াশিংটনের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে চায় তেহরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে উপসাগরীয় কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সরাসরি বড় ধরনের সামরিক বিজয়ের চেষ্টা না করে নিয়ন্ত্রিতভাবে উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে। এর লক্ষ্য, সংঘাতকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ব্যয় ইরানের দাবি মেনে নেওয়ার চেয়ে বেশি হয়ে দাঁড়াবে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে নতুন সমঝোতা না হলে সংঘাত পারস্য উপসাগরের বাইরে আরও বিস্তৃত হতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামুদ্রিক রুট ও জ্বালানি সম্পদকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে ভবিষ্যৎ আলোচনায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায় তেহরান।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের গবেষক মাইকেল নাইটস রয়টার্সকে বলেন, ইরান এমন কৌশল নেয় যাতে প্রতি সপ্তাহেই নতুন কোনো উপায়ে উত্তেজনা বাড়ানোর সুযোগ তাদের হাতে থাকে। কখনো নতুন এলাকা, কখনো নতুন অস্ত্র, আবার কখনো নতুন লক্ষ্যবস্তু ব্যবহার করে তারা চাপ বজায় রাখে।

তার মতে, ইরানের সবচেয়ে বড় শক্তি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে সরাসরি আঘাত করার সক্ষমতা নয়; বরং আঞ্চলিক দেশগুলো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সক্ষমতা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। এ রুটে বিঘ্ন ঘটানোর পাশাপাশি লোহিত সাগর ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোকেও কৌশলগত চাপের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে ইরান।

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডারদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়াতে চাইবেন না। পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সামরিক ব্যয়ও ওয়াশিংটনের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়াচ্ছে।

উপসাগরীয় এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইরান বিশ্বাস করে সংঘাতের পরিধি বাড়াতে পারলে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকে ছাড় দিতে বাধ্য করা সম্ভব হবে। তার মতে, ট্রাম্প ইরানকে সামরিক চাপ দিয়ে আলোচনায় আনতে চান, কিন্তু তেহরান সহজে নতি স্বীকার করবে না।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি বড় ধরনের চুক্তি আসন্ন এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। তবে ইরান এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনা চলছে না।

রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যেখানে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব সীমিত করতে চাইছে, সেখানে তেহরান পাল্টা সংঘাতের পরিধি বাড়িয়ে ওয়াশিংটনকে কৌশলগত ছাড় দিতে বাধ্য করার কৌশল অনুসরণ করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page