1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন

পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের আনাগোনা, ভারতের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

গত ১৯ থেকে ২১ আগস্ট মাত্র ৬০ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের একাধিক সামরিক পরিবহন বিমানের ওঠানামা ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে। বিষয়টিকে পাকিস্তানের সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া

ওপেন-সোর্স ফ্লাইট ট্র্যাকারগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ওই তিন দিনে পাকিস্তানের নূর খান, মাসরুর ও মুরিদ বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের C-130 হারকিউলিস ও A400M মডেলের সামরিক পরিবহন বিমান অবতরণ করে। এর মধ্যে ‘TUAF526’ কলসাইন ব্যবহারকারী একটি বিমানও ছিল।

তবে এসব বিমানে কী ধরনের সরঞ্জাম বা সামরিক সামগ্রী পরিবহন করা হয়েছে, সে বিষয়ে তুরস্ক বা পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে ধারণা করা হচ্ছে, এসব বিমানে পাকিস্তানের জন্য সামরিক সরঞ্জাম আনা হয়ে থাকতে পারে। সম্ভাব্য সরঞ্জামের তালিকায় ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকার কথাও আলোচনা হচ্ছে।

এ নিয়ে আরও গুঞ্জন রয়েছে, তুরস্কের Baykar-এর নতুন প্রজন্মের কামিকাজে ড্রোন K2 এবং Asisguard-এর ড্রোন ব্যবস্থাও এসব সামরিক পরিবহন বিমানের মাধ্যমে পাকিস্তানে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিরক্ষা চুক্তির পর বাড়তি গুরুত্ব

তুরস্কের সামরিক বিমানগুলোর এই তৎপরতা ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সইয়ের পর বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ফলে পাকিস্তানে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘন ঘন যাতায়াতকে সম্ভাব্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহল।

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য পাকিস্তান কি সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে?

আগেও সামরিক সহায়তার অভিযোগ ভারতের

ভারতের দাবি, গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর আগেও চীন ও তুরস্ক পাকিস্তানকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল।

ভারতীয় পক্ষের দাবি অনুযায়ী, এসব সরঞ্জামের মধ্যে চীনের PL-15 আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল। তুরস্কের তৈরি Bayraktar ড্রোন ও Asisguard Songar কামিকাজে ড্রোন সরবরাহের কথাও তখন বলা হয়েছিল।

এ ছাড়া, ওই সংঘাতের সময় চীন ও তুরস্ক পাকিস্তানকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক তথ্য এবং কৌশলগত সহায়তা দিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিল ভারত।

তবে সাম্প্রতিক তুর্কি সামরিক বিমানগুলোর পাকিস্তান সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা সেগুলোতে কী ধরনের সরঞ্জাম ছিল, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page