1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

ইসলামে মালিক-কর্মচারীর সম্পর্ক ও বেতন পরিশোধের গুরুত্ব

ইসলামিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

ইসলামের দৃষ্টিতে মালিক ও কর্মচারীর সম্পর্ক শুধু নিয়োগকর্তা ও অধীনস্থের নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ব ও অধিকারভিত্তিক। কর্মচারীকে মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও জীবিকার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের গোলামরা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনস্থ করেছেন। সুতরাং কারও ভাই যদি তার অধীনে থাকে, তাহলে সে যা খায়, তাকেও যেন তা খেতে দেয়; সে যা পরিধান করে, তাকেও যেন তা পরিধান করায়।’ (বোখারি : ২৫৪৫)

যথাসময়ে বেতন পরিশোধ নববি আদর্শ

মালিক ও কর্মচারীর সম্পর্ক স্নেহ, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত। উভয়েরই একে অপরের প্রতি দায়িত্ব ও প্রাপ্য রয়েছে। কর্মচারীর বেতন-ভাতা তার ন্যায্য অধিকার। তাই কাজের বিনিময়ে প্রাপ্য পারিশ্রমিক যথাসময়ে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কর্মচারীর ঘাম শুকানোর আগেই তার প্রাপ্য বেতন দিয়ে দাও।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৪৪৩)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, কর্মচারীর পারিশ্রমিক পরিশোধে অযথা বিলম্ব করা ইসলামের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বেতন আটকে রাখা গুরুতর অপরাধ

কারণে-অকারণে কর্মচারীর বেতন-ভাতা আটকে রাখা কিংবা প্রাপ্য পারিশ্রমিক না দেওয়া ইসলামে গুরুতর অন্যায় হিসেবে বিবেচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির বিপক্ষে থাকব। তাদের মধ্যে একজন ওই ব্যক্তি, যে কাউকে কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তার থেকে কাজ বুঝে নিয়েছে; অথচ তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়নি।’ (বোখারি : ২২২৭)

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তির শ্রম গ্রহণ করার পর তার ন্যায্য পারিশ্রমিক আটকে রাখা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ।

বেতন নিয়ে টালবাহানা করা জুলুম

সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কর্মচারীর বেতন পরিশোধে অযথা বিলম্ব করা জুলুমের শামিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কর্মচারীর বেতন পরিশোধে ধনী ব্যক্তির টালবাহানা করা জুলুম।’ (বোখারি : ২২৮৭)

তাই কর্মচারীর শ্রম ও সময়ের যথাযথ মূল্যায়ন করা এবং নির্ধারিত সময়ে তার প্রাপ্য পরিশোধ করা একজন মালিকের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

অধীনস্থদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করার নির্দেশ

কর্মচারী ও অধীনস্থদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে ইসলাম বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে অধীনস্থদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইসলামের এই শিক্ষার মূল কথা হলো—কর্মচারীর শ্রমের যথাযথ মূল্য দিতে হবে, তার সঙ্গে মানবিক ও সম্মানজনক আচরণ করতে হবে এবং কোনোভাবেই তার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। একজন দায়িত্বশীল মালিক কর্মচারীর অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে ন্যায়, আস্থা ও পারস্পরিক সম্মানের পরিবেশ গড়ে তুলবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page