1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন

সাইনবোর্ড টাঙিয়ে কবরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের অভিযোগ

এস এম হাবিবুল হাসান, সাতক্ষীরা রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও ১৪৫ ধারা অমান্য করে কবরস্থান, দরগা ও মাদ্রাসাসংলগ্ন কোটি টাকা মূল্যের পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আব্দুস সামাদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, কোনো ব্যাংক কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে এবং টিনের ঘর নির্মাণ করে ওই জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, দেবহাটা থানার পারুলিয়া মৌজার আরএস ৩৫৭৫৩ ও ৩৫৭৫৬ (এসএ দাগ ১১২০৩) নম্বর দাগের সম্পত্তি নিয়ে গোলাম মহিউদ্দিন রনির সঙ্গে আব্দুস সামাদের মামলা চলছে। এর আগে আদালতের নোটিশ থাকা সত্ত্বেও ওই জায়গায় দোকান বসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এবার ধর্মীয় স্থাপনা ও ঐতিহাসিক নিদর্শনসংলগ্ন জমি দখলের নতুন চেষ্টা করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে বেসিক ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মৃত্যুঞ্জয় কুমার গায়েন বলেন, ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওই সাইনবোর্ড লাগানো হয়নি। বিষয়টি জানার পর আব্দুস সামাদকে একাধিকবার সাইনবোর্ডটি সরিয়ে নিতে বলা হলেও তিনি তা সরাননি।

ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল ওহাব গাজী বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই দেখে আসছি, জায়গাটি গোলাম নবী সাহেবদের। এখানে প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো তেঁতুল গাছ, তাদের পৈতৃক গোরস্থান, একটি ঐতিহ্যবাহী দরগা ও মাদ্রাসা রয়েছে। গত ৩০-৩৫ বছর ধরে আমি তাদের কাছ থেকে এই জমি ও ঘের লিজ নিয়ে দেখাশোনা করছি। হঠাৎ সামাদ এসে টিনের ঘর বসিয়ে ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছেন।’

স্থানীয় বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী আব্দুল মজিদ বলেন, ‘১৯৬৫ সাল থেকে এই এলাকায় আছি। কিন্তু সামাদ বা তার পরিবারের কাউকে কখনো এই কাছারিবাড়ি ও পাশের খামারবাড়ি ভোগদখল করতে দেখিনি।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগে অন্য একটি ঘের দখলের মামলায় সামাদ, তার বাবা ও ভাইসহ তিনজনের সাজা হয়েছিল।

সখিপুরের প্রবীণ বাসিন্দা মাওলা বকস গাজী (৭৩) বলেন, ‘সামাদ এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু।’ ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যবাহী এই সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আব্দুস সামাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দেবহাটা থানার এএসআই আকিজুর রহমান বলেন, ‘আদালতের নোটিশ পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এসেছি। কোনো পক্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page