মানুষের ইহকাল ও পরকালের সফলতার জন্য ইসলাম কিছু গোনাহ থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষ করে এমন কিছু পাপ রয়েছে, যেগুলোকে রাসুলুল্লাহ (সা.) ‘সর্বনাশী’ বা ধ্বংসাত্মক গোনাহ হিসেবে উল্লেখ
দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে সফর মাস গণনা শুরু হবে। এ হিসাবে আগামী ১২ আগস্ট পবিত্র আখেরি চাহার
প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প কিংবা টর্নেডো—এসব মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বজগতের সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ মহান আল্লাহর হাতে। তাঁর ইচ্ছা ও নির্দেশ ছাড়া কোনো ঘটনাই ঘটে না।
মানুষকে প্রকৃত অর্থে পরাজিত করতে পারে না মৃত্যু। মৃত্যু কেবল এক জগত থেকে আরেক জগতে স্থানান্তর। কিন্তু প্রেমের কাছে আত্মসমর্পণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা—সেখানে ধ্বংস নয়, বরং জীবনের নতুন অর্থের সূচনা।
ইসলাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সুশৃঙ্খল, অর্থবহ ও বরকতময় করে তোলার জন্য বিভিন্ন আমলের দিকনির্দেশনা দিয়েছে। দিনের শুরুতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসৃত আমলগুলো একজন মুসলিমের জন্য উত্তম আদর্শ হিসেবে বিবেচিত।
আয়াতুল কুরসি Ayat al-Kursi পবিত্র Quran-এর Surah Al-Baqarah-এর ২৫৫ নম্বর আয়াত। এটি ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি আয়াত হিসেবে পরিচিত। আয়াতটিতে আল্লাহর একত্ববাদ, সর্বময় ক্ষমতা, জ্ঞান ও মহিমার বর্ণনা রয়েছে। ইসলামী
ভূকম্পকে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর অভ্যন্তরের শিলাস্তরের চ্যুতি বা স্থানান্তরের ফলে সৃষ্ট একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তবে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে এটি শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; বরং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে
ইসলামের প্রাথমিক যুগে বর্তমানের মতো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসা ব্যবস্থা ছিল না। সে সময় জ্ঞানার্জন ও শিক্ষা প্রদানের প্রধান কেন্দ্র ছিল মসজিদ। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত আদম (আ.) পৃথিবীতে আগমনের পর
অনেকের ধারণা, শিরক বলতে শুধু মূর্তিপূজাকেই বোঝায়। কিন্তু পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এমন বহু বিশ্বাস ও আমলের কথা উল্লেখ রয়েছে, যা মূর্তিপূজার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হলেও শিরকের অন্তর্ভুক্ত বা
আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। ইসলাম ধর্মে এ মাস অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও পবিত্র। পবিত্র কোরআনে মহররমকে সম্মানিত চার মাসের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে