1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

দিনের শুরুতে নবীজি (সা.) যেসব আমল করতেন

ইসলামিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

ইসলাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সুশৃঙ্খল, অর্থবহ ও বরকতময় করে তোলার জন্য বিভিন্ন আমলের দিকনির্দেশনা দিয়েছে। দিনের শুরুতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসৃত আমলগুলো একজন মুসলিমের জন্য উত্তম আদর্শ হিসেবে বিবেচিত। হাদিসের আলোকে তার সকালবেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল তুলে ধরা হলো।

ঘুম থেকে জেগে সর্বপ্রথম তিনি আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করতেন। তিনি এ দোয়া পাঠ করতেন—

“আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বা’দা মা আমা-তানা, ওয়া ইলাইহিন নুশুর।”

অর্থ: “সব প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য। তিনি আমাদের মৃত্যুসদৃশ ঘুমের পর আবার জীবন দান করেছেন এবং তাঁর কাছেই আমাদের প্রত্যাবর্তন।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৩১২)

এরপর তিনি মিসওয়াক করতেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ পরিষ্কার ও ইবাদতের প্রস্তুতির জন্য তিনি মিসওয়াক ব্যবহার করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৪৫)

মিসওয়াকের পর তিনি ওজু করতেন এবং ফজরের নামাজের জন্য প্রস্তুতি নিতেন। ওজুর সময়ও তিনি আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকতেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩৪)

রাসুল (সা.) ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করতেন। নামাজ শেষে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকির, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ায় সময় অতিবাহিত করতেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৭০)

এ বিষয়ে একটি হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে ব্যস্ত থাকে এবং পরে দুই রাকাত ইশরাকের নামাজ আদায় করে, সে একটি পূর্ণ হজ ও একটি পূর্ণ ওমরার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে। (জামে তিরমিজি, হাদিস: ৫৮৬)

সূর্যোদয়ের প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর তিনি দুই বা চার রাকাত ইশরাকের নামাজ আদায় করতেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭২০)

সকালের খাবারেও তিনি পরিমিতির শিক্ষা দিয়েছেন। বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, তিনি অনেক সময় খেজুর ও পানি দিয়ে দিনের শুরু করতেন। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতেন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতেন এবং তাদের সঙ্গে সময় কাটাতেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৬০৮)

এ ছাড়া তিনি প্রতিদিন সকালে নিয়মিত কিছু দোয়া ও জিকির পাঠ করতেন। এর মধ্যে ছিল “আসবাহনা ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহ”, আয়াতুল কুরসি এবং সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস—প্রতিটি তিনবার করে পাঠ করা। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭২৩)

ইসলামি শিক্ষায় দিনের শুরুতে আল্লাহর স্মরণ, পরিচ্ছন্নতা, সালাত, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব আমল একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনে শৃঙ্খলা, মানসিক প্রশান্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতিতে সহায়ক বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page