বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। সে অনুযায়ী
রিজিকের সন্ধানে মানুষকে বিভিন্ন কাজ ও পেশার সঙ্গে যুক্ত হতে হয়। ইসলাম মানুষের জীবিকা উপার্জনের বৈধ পথকে উৎসাহিত করেছে। তবে এমন কিছু পেশা ও কর্মকাণ্ড রয়েছে, যেগুলো ইসলামে নিষিদ্ধ করা
মক্কায় পবিত্র কাবা শরিফের সান্নিধ্যে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়। মসজিদুল হারামের পাশাপাশি পবিত্র এই নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে বহু ঐতিহাসিক মসজিদ। এসব স্থানের সঙ্গে জড়িয়ে
স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার ওপরই দাম্পত্য জীবনের সুখ অনেকাংশে নির্ভর করে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও সহানুভূতি যত গভীর হয়, দুজনের সম্পর্কও তত দৃঢ় হয়। বিপরীতে, ভালোবাসার
জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত, নামাজ আদায়, তওবা এবং মানুষের নৈতিক জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দেশের বিভিন্ন মসজিদের খতিবরা। শুক্রবারের জুমার বয়ান ও খুতবার পূর্ববর্তী আলোচনায় তারা এসব কথা বলেন।
২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম আজ সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সৌদি
ইসলামে ফরজ ইবাদত পালনের পরই হালাল রিজিক অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “হালাল রুজি সন্ধান করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর অনিবার্য।” (মাজমাউয যাওয়ায়েদ : ১০/৩৭৭) ইসলামি অর্থনীতির
পরকালীন মুক্তি ও চিরস্থায়ী সফলতা অর্জন প্রতিটি মুমিনের আকাঙ্ক্ষা। কোরআন ও সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহ তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে এমন কিছু বান্দাকে কোনো হিসাব-নিকাশ বা শাস্তি ছাড়াই সরাসরি জান্নাতে
প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের সুস্থ ও নিরাপদ জীবনের অন্যতম ভিত্তি। গাছপালা, বনভূমি, নদ-নদী, খাল-বিল ও তৃণভূমি মিলেই গড়ে ওঠে আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের জীবনেও নেমে আসে নানা সংকট—বাড়ে
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের ব্যয়, নিবন্ধন