ইসলাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সুশৃঙ্খল, অর্থবহ ও বরকতময় করে তোলার জন্য বিভিন্ন আমলের দিকনির্দেশনা দিয়েছে। দিনের শুরুতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসৃত আমলগুলো একজন মুসলিমের জন্য উত্তম আদর্শ হিসেবে বিবেচিত।
আয়াতুল কুরসি Ayat al-Kursi পবিত্র Quran-এর Surah Al-Baqarah-এর ২৫৫ নম্বর আয়াত। এটি ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি আয়াত হিসেবে পরিচিত। আয়াতটিতে আল্লাহর একত্ববাদ, সর্বময় ক্ষমতা, জ্ঞান ও মহিমার বর্ণনা রয়েছে। ইসলামী
ভূকম্পকে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর অভ্যন্তরের শিলাস্তরের চ্যুতি বা স্থানান্তরের ফলে সৃষ্ট একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তবে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে এটি শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; বরং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে
ইসলামের প্রাথমিক যুগে বর্তমানের মতো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসা ব্যবস্থা ছিল না। সে সময় জ্ঞানার্জন ও শিক্ষা প্রদানের প্রধান কেন্দ্র ছিল মসজিদ। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত আদম (আ.) পৃথিবীতে আগমনের পর
অনেকের ধারণা, শিরক বলতে শুধু মূর্তিপূজাকেই বোঝায়। কিন্তু পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এমন বহু বিশ্বাস ও আমলের কথা উল্লেখ রয়েছে, যা মূর্তিপূজার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হলেও শিরকের অন্তর্ভুক্ত বা
আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। ইসলাম ধর্মে এ মাস অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও পবিত্র। পবিত্র কোরআনে মহররমকে সম্মানিত চার মাসের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে
আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম ইসলামের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ মাস। এটি সেই চারটি সম্মানিত মাসের একটি, যেগুলোকে আল্লাহ তায়ালা বিশেষ মর্যাদা প্রদান করেছেন। এ মাসের ১০ তারিখ ‘ইয়াওমে আশুরা’ বা আশুরা
হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম ইসলামের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় মাস। পবিত্র কোরআনে যেসব চারটি মাসকে বিশেষ সম্মানিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, মহররম তাদের অন্যতম। রমজানের পর এ মাসকেই সর্বাধিক
সফলতা মানুষের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা। প্রত্যেক মানুষই দুনিয়ায় শান্তি, সম্মান ও কল্যাণময় জীবন কামনা করে এবং আখেরাতে চায় চিরস্থায়ী জান্নাত। ইসলামি দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, এই প্রকৃত সফলতার অন্যতম প্রধান পথ হলো নামাজ।
দেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন