স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার ওপরই দাম্পত্য জীবনের সুখ অনেকাংশে নির্ভর করে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও সহানুভূতি যত গভীর হয়, দুজনের সম্পর্কও তত দৃঢ় হয়। বিপরীতে, ভালোবাসার
২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম আজ সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সৌদি
ইসলামে ফরজ ইবাদত পালনের পরই হালাল রিজিক অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “হালাল রুজি সন্ধান করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর অনিবার্য।” (মাজমাউয যাওয়ায়েদ : ১০/৩৭৭) ইসলামি অর্থনীতির
পরকালীন মুক্তি ও চিরস্থায়ী সফলতা অর্জন প্রতিটি মুমিনের আকাঙ্ক্ষা। কোরআন ও সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহ তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে এমন কিছু বান্দাকে কোনো হিসাব-নিকাশ বা শাস্তি ছাড়াই সরাসরি জান্নাতে
প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের সুস্থ ও নিরাপদ জীবনের অন্যতম ভিত্তি। গাছপালা, বনভূমি, নদ-নদী, খাল-বিল ও তৃণভূমি মিলেই গড়ে ওঠে আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের জীবনেও নেমে আসে নানা সংকট—বাড়ে
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের ব্যয়, নিবন্ধন
মানুষের ইহকাল ও পরকালের সফলতার জন্য ইসলাম কিছু গোনাহ থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষ করে এমন কিছু পাপ রয়েছে, যেগুলোকে রাসুলুল্লাহ (সা.) ‘সর্বনাশী’ বা ধ্বংসাত্মক গোনাহ হিসেবে উল্লেখ
দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে সফর মাস গণনা শুরু হবে। এ হিসাবে আগামী ১২ আগস্ট পবিত্র আখেরি চাহার
প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প কিংবা টর্নেডো—এসব মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বজগতের সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ মহান আল্লাহর হাতে। তাঁর ইচ্ছা ও নির্দেশ ছাড়া কোনো ঘটনাই ঘটে না।
মানুষকে প্রকৃত অর্থে পরাজিত করতে পারে না মৃত্যু। মৃত্যু কেবল এক জগত থেকে আরেক জগতে স্থানান্তর। কিন্তু প্রেমের কাছে আত্মসমর্পণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা—সেখানে ধ্বংস নয়, বরং জীবনের নতুন অর্থের সূচনা।