আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম ইসলামের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ মাস। এটি সেই চারটি সম্মানিত মাসের একটি, যেগুলোকে আল্লাহ তায়ালা বিশেষ মর্যাদা প্রদান করেছেন। এ মাসের ১০ তারিখ ‘ইয়াওমে আশুরা’ বা আশুরা
হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম ইসলামের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় মাস। পবিত্র কোরআনে যেসব চারটি মাসকে বিশেষ সম্মানিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, মহররম তাদের অন্যতম। রমজানের পর এ মাসকেই সর্বাধিক
সফলতা মানুষের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা। প্রত্যেক মানুষই দুনিয়ায় শান্তি, সম্মান ও কল্যাণময় জীবন কামনা করে এবং আখেরাতে চায় চিরস্থায়ী জান্নাত। ইসলামি দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, এই প্রকৃত সফলতার অন্যতম প্রধান পথ হলো নামাজ।
দেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন
ইসলাম শ্রম ও কর্মকে শুধু জীবিকা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। একজন ব্যক্তি যদি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজের কর্মসম্পাদন করেন, তবে
ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসলমানদের কবর জিয়ারত থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। তখন জাহেলি যুগের কিছু ভ্রান্ত বিশ্বাস ও আচরণ দূর করার উদ্দেশ্যে এই বিধিনিষেধ ছিল। পরবর্তীতে এসব বিশ্বাস দূর হলে কবর
আত্মহত্যা বর্তমান সমাজের একটি উদ্বেগজনক সমস্যা। পারিবারিক সংকট, মানসিক অশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক কারণে অনেক মানুষ চরম হতাশার মধ্যে পড়ে আত্মহননের মতো
২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজ কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে Ministry of Religious Affairs। রোববার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ২৯
মদিনায় হিজরতের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রথম যে মসজিদ নির্মাণ করেন তা হলো মসজিদে নববী। এখানে তিনি নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবিদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর