1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনায় দুর্গাপূজায় চার স্তরের নিরাপত্তা, দায়িত্বে ১১ হাজারের বেশি সদস্য

রওজা মোবারক জিয়ারত ও এর ইতিহাস এবং আদবসমূহ

ইসলামিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

মদিনায় হিজরতের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রথম যে মসজিদ নির্মাণ করেন তা হলো মসজিদে নববী। এখানে তিনি নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবিদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর তাকে মসজিদে নববির পাশেই আয়েশা (রা.)-এর ঘরে দাফন করা হয়।

তার দাফন কোথায় হবে—এ নিয়ে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। কেউ মসজিদে নববির মিম্বরের পাশে দাফনের মত দেন, আবার কেউ জান্নাতুল বাকিতে দাফনের প্রস্তাব করেন। পরবর্তীতে আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেন, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছেন যে, নবীরা যেখানে ইন্তেকাল করেন, সেখানেই তাদের দাফন করা হয়। এই বর্ণনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয় যে, নবীজি (সা.)-কে তার মৃত্যুর স্থলেই দাফন করা হবে।

এরপর আবু তালহা (রা.) রাসুল (সা.)-এর পবিত্র দেহ মোবারক উঠিয়ে নির্ধারিত স্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন করেন। (সূত্র: আর রাহিকুল মাখতুম : ৮৪০)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কবরকে সাধারণত “রওজা মোবারক” বলা হয়। মুসলমানরা হজ ও উমরার সময় মদিনায় গিয়ে মসজিদে নববির পাশে অবস্থিত রওজা শরিফ জিয়ারত করেন। হাদিসে রওজা জিয়ারতের ফজিলত সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়।

ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে আমার মৃত্যুর পর আমার রওজা জিয়ারত করল, সে যেন আমার জীবদ্দশায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করল।” (দারাকুতনি)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, “যে আমার রওজা জিয়ারত করল, তার জন্য আমার সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে গেল।” (মুসলিম)

আরেকটি বর্ণনায় বলা হয়েছে, “যে হজ করল কিন্তু আমার রওজা জিয়ারত করল না, সে আমার প্রতি অবহেলা করল।” (তিরমিজি)

রওজা জিয়ারতের আগে দুনিয়াবি চিন্তা থেকে মনকে মুক্ত রাখা উচিত। রাসুল (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে তাকে স্মরণ করা, বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা এবং পবিত্রতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। জিয়ারতের সময় শালীনতা ও নীরবতা বজায় রাখা উচিত এবং উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

রওজার দিকে সম্মানের সাথে দাঁড়াতে হবে এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। রওজাকে স্পর্শ করা, চুমু খাওয়া বা অন্য কোনো অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকা উচিত। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে কোনো প্রার্থনা না করে একমাত্র আল্লাহর কাছেই দোয়া করা উচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page