
কুয়েতের একটি প্রধান বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি শোধনাগার কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির সরকার দাবি করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৮ জুলাই) কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা, দেশটির বিদ্যুৎ ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
কুয়েত সরকার এ ঘটনাকে ‘ইরানের অপরাধমূলক আগ্রাসন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিদ্যুৎ ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জরুরি সতর্কতামূলক ও পরিচালনাগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এড়াতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন।
এদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে শনিবার সকাল থেকে কুয়েতের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থা কুয়েত এয়ারওয়েজ তাদের বেশিরভাগ নির্ধারিত ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে।
বিমান সংস্থার এক বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের নিজ নিজ ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিয়মিত যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নতুন সময়সূচি বুকিংয়ের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরে খুদে বার্তা ও নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, গত মে ও জুনে ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর শনিবার ভোরে কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এর পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়।