1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

নির্বাচনের পর পদ ছাড়ার ইচ্ছা রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি অপমানবোধ করছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের শেষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরও তিনিই ছিলেন রাষ্ট্রের একমাত্র সাংবিধানিক প্রধান।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়া সাহাবুদ্দিন জানান, নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতেই হবে।”

রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, প্রায় সাত মাস ধরে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে কোনো সাক্ষাৎ করেননি। তার প্রেস ডিপার্টমেন্টও প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি হঠাৎ সরিয়ে ফেলা হয়, যা তাকে অপমানিত করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনূসকে চিঠি লিখলেও কোনো ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া পাননি।

রয়টার্স জানায়, রাষ্ট্রপতির এই অভিযোগের বিষয়ে ইউনূসের প্রেস অফিসে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি। ছাত্রজীবনে তিনি পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন, পরবর্তীতে যুবলীগের দায়িত্বও সামলান। স্বাধীনতা যুদ্ধেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়।

পেশাগত জীবনে তিনি বিসিএস (বিচার) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন এবং ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন। তিনি ২০০১ সালের বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় সংঘটিত হামলার তদন্ত কমিশনের প্রধান ছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সমন্বয়কারীর দায়িত্বও পালন করেন। পরে দুদকের কমিশনার হিসেবে ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালে তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হন এবং দলের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!