
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সরকার, দেশের জনগণ এবং নিজের পক্ষ থেকে লেবার পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, এই বিজয় যুক্তরাজ্যের জনগণ এবং লেবার পার্টির পক্ষ থেকে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নেতৃত্বের প্রতি আস্থার প্রতিফলন। তার নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের পথে আরও এগিয়ে যাবে এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান। অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, কমনওয়েলথের আদর্শ এবং দুই দেশের জনগণের নিবিড় যোগাযোগের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হচ্ছে।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি তারা উভয় দেশের অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ করতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন।
চিঠির শেষাংশে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে আমন্ত্রণ জানান।