
পরিবেশ সংরক্ষণ ও জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশকে ১২ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেবে জার্মানি। এ অর্থে ম্যানগ্রোভ ও সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষা এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
দুটি প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
প্রথম প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদের সুরক্ষা, পুনরুদ্ধার এবং টেকসই ব্যবহার জোরদার করা হবে। পাশাপাশি ম্যানগ্রোভসহ উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
অন্যদিকে, ‘এনার্জি এফিশিয়েন্সি ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (ইই৪ডেভ)’ প্রকল্পে জার্মানি ৭ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১০০ কোটি ১২ লাখ টাকা অনুদান দেবে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অংশীজনের অংশগ্রহণে শিল্পকারখানা ও আবাসিক ভবনে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানো এবং জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো হবে এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রকল্প দুটির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৯৭২ সাল থেকে জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে। এ পর্যন্ত দেশটি বাংলাদেশকে প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরোর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।